শিরোনাম

নীলফামারী, ১৭ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : সদর উপজেলাকে বাল্য বিবাহ, শিশু শ্রম ও বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া মুক্ত ঘোষণা করা হযেছে।
আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, নিকাহ রেজিস্ট্রারসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উন্নয়ন সংস্থা ওয়ার্ল্ড ভিশনের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ।
এসময় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারী এরিয়ার ব্যবস্থাপক অনুকুল চন্দ্র বর্মনের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা দেন সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এটিএম নুরুল আমিন শাহ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সমিতির সদর উপজেলা সভাপতি আব্দুর রউফ, নীলফামারী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুর আলম, নটখানা জামে মসজিদের ইমাম রমজান আলী প্রমুখ।
অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের শিশু ফোরামের সদস্য ঝুমা আক্তার ও কবীর হাসান সোহাগ। নিজের বাল্য বিবাহ ঠেকানোর গল্প শোনান অনন্যা দাস। বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়ে আবারও বিদ্যালয়মুখী হওয়ার গল্প শোনান নিক্সন ইসলাম।
অনুষ্ঠানে বাল্য বিবাহ, শিশু শ্রম এবং বিদ্যালয় থেকে ঝরেপড়া শিশু মুক্ত উপজেলা গড়ার লক্ষ্যে পরিচালিত কার্যক্রম উপস্থাপন করেন আয়োজক সংস্থার টেকনিক্যাল স্পেশালিস্ট তাহমিদুর রহমান।
তিনি জানান, এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা শেষে ইউনিয়ন পরিষদের স্ট্যান্ডিং কমিটি পুর্নগঠন, ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে।
ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের নীলফামারীর এলাকা ব্যবস্থাপক অনুকুল চন্দ্র বর্মণ জানান, ইতোমধ্যে উপজেলায় ১৬টি বাল্য বিয়ে বন্ধ ও ৫৪ জন শিশুকে স্কুলমুখী করা হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সভা ও উঠান বৈঠকের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা হয়।
প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুবাশ্বিরা আমাতুল্লাহ বলেন, বাল্য বিবাহ-শিশু শ্রম ও ঝরে পড়ার কুফল সমন্ধে আমরা সবাই জানি। পরিবার থেকে সচেতনতা সৃষ্টি হলে বাল্য বিবাহ-শিশু শ্রম কিংবা ঝরেপড়া থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।