বাসস
  ১০ আগস্ট ২০২৬, ২১:৫৪

যশোর বোর্ডে এসএসসি পাসের হারে শীর্ষে খুলনা

ছবি : বাসস

খুলনা, ১০ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হারে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে খুলনা জেলা।

আর দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে যশোর। আজ সোমবার যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

প্রকাশিত ফলাফল পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় খুলনা জেলা থেকে ৫৪টি কেন্দ্রে ৩৯৩ প্রতিষ্ঠানের ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছে ১৪ হাজার ৪২১ জন। যা পাসের হারে ৬৯ দশমিক ৫৪ শতাংশ। এটিই বোর্ডের শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। 

দ্বিতীয় স্থান অধিকার করা যশোর জেলায় ৫৩টি কেন্দ্রে ৪৯৫টি প্রতিষ্ঠানের ২১ হাজার ৯০৯ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। এতে পাস করেছে ১৫ হাজার ১১৮ জন।

এছাড়া বাগেরহাট জেলা থেকে ২০ হাজার ৭৩৯ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে পাস করেছে ৭ হাজার ৭৫৭ জন, পাসের হার ৬৬ দশমিক ৩৭।

সাতক্ষীরা থেকে অংশ নেয় ১৪ হাজার ২৪৬ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৯ হাজার ৪৪৩ শিক্ষার্থী, পাসের হার ৬৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

কুষ্টিয়া থেকে অংশ নেওয়া ১৯ হাজার ৯৮২ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১২ হাজার ৫৬৯ জন, পাসের হার ৬২ দশমিক ৯০ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা থেকে এসএসসিতে অংশ নিয়েছিল ৮ হাজার ৫৯৪ জন। পাস করেছে ৫ হাজার ৯০৪ পরীক্ষার্থী, পাসের হার ৬৮.৭০।

মেহেরপুর থেকে অংশ নিয়েছিল ৬ হাজার ১২৫ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে পাস করেছে ৩ হাজার ৯৩৫ জন, পাসের হার ৬৪ দশমিক ২৪ শতাংশ।

নড়াইল থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৬ হাজার ১৯৪ জন। পাস করেছে ৪ হাজার ৩৬ জন। এ জেলায় পাসের হার ৬৫ দশমিক ১৬ শতাংশ।

ঝিনাইদহ থেকে অংশ নেওয়া ১৫ হাজার ৯৬৯ শিক্ষার্থীর মধ্যে কৃতকার্য হয়েছে ১০ হাজার ৫৪ জন, পাসের হার ৬২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

মাগুড়া জেলা থেকে ৭ হাজার ৪৯৫ জন পরীক্ষার্থী এসএসসিতে অংশ নেয়। এ জেলায় পাস করেছে ৪ হাজার ৮৬০ জন। পাসের হার ৬৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এস. এম. হোসেন আলী বলেন, ইংরেজি ও গণিতের কারণে আমাদের ফলাফল খারাপ হয়েছে। যে কারণে পাসের হার কমেছে। তবে প্রতিটি বিষয়েই ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। একই ভাবে জিপিএ-৫ অর্জনের ক্ষেত্রেও নারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি।

তিনি বলেন, পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে নিরপেক্ষতা ও নির্ধারিত নিয়ম কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। সংখ্যার চেয়ে শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করাই বোর্ডের লক্ষ্য। 

ফলাফল নিয়ে অসন্তুষ্ট শিক্ষার্থীদের জন্য খাতা পুনঃনিরীক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী আগামীকাল থেকে টেলিটক মোবাইলের মাধ্যমে পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে।