শিরোনাম

রংপুর, ২৭ মে, ২০২৬, ( বাসস) : কোরবানির পশু নির্ধারিত স্থানে জবাই করতে মহানগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রংপুর সিটি করপোরেশনের (রসিক) প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন।
একইসঙ্গে ঈদের দিন আট ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করে পরিচ্ছন্ন নগরী উপহার দেয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি।
আজ বুধবার দুপুরে রংপুর কালেক্টরেট ঈদগাহ্ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই ঘোষণা দেন।
যত্রতত্র পশু কোরবানি না করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মাহফুজ উন-নবী চৌধুরী ডন বলেন, নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের নির্ধারিত ৬৬টি স্থানে এবার কোরবানির পশু জবাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্ধারিত স্থানগুলো ছাড়া যাতে কেউ উন্মুক্ত স্থান ও সড়কের ওপর পশু জবাই না করেন, এজন্য সচেতনতামূলক প্রচারণা চলছে।
তিনি বলেন, রসিকের নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানির জন্য পানির সরবরাহ, সেবাপ্রাপ্তির সুব্যবস্থা, কোরবানির জন্য ঈমাম ও মুয়াজ্জিন এবং মসজিদ-মাদরাসার হুজুরদের পাশাপাশি গোশত কাটাকাটির জন্য কসাই রাখা হয়েছে। কোরবানির পর বর্জ্যের দুর্গন্ধ রোধে ব্লিচিং পাউডারের ব্যবস্থা রাখা হবে। আমরা চাই নগরবাসী যততত্র জবাই না করে নির্ধারিত স্থানে পশু জবাই করুক।
শ্যামাসুন্দরী ক্যানেল, কেডি ক্যানেলসহ নগরীর ড্রেনে পশুর বর্জ্য না ফেলার আহ্বানও জানিয়ে সিটি প্রশাসক বলেন, কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ করে আমরা তা সঠিক জায়গায় ডাম্পিং করতে চাই। এজন্য নগরবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার প্রতি আহ্বান যেখানে-সেখানে পশুর বর্জ্য না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলুন।
তিনি আরও বলেন, ঈদের দিন সকাল থেকে পরিচ্ছন্নতা কর্মীগণ কাজ করবেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের লক্ষে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ঈদের দিন দুপুর ২টার দিকে নগর ভবনের সামনে থেকে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হবে।
বর্জ্য অপসারণে ১২ ঘণ্টা সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আমরা ৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণের কাজ শেষ করতে চাই।
রসিকের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিভাগ কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সিটির ১০৬৯ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী তিনটি জোনে বিভক্ত হয়ে বর্জ্য অপসারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কাজ করবে। এতে ট্রলি, রিকশাভ্যান ও ট্রাক ব্যবহার করা হবে। পশুর বর্জ্য অপসারণে হটলাইন ০১৭৩৩৩৯০১৫০ নম্বরে যোগাযোগ করারও আহ্বান জানান তিনি।
ঈদগাহ পরিদর্শনের সময় রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাহমুদুর রহমান টিটুসহ সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।