শিরোনাম

দিনাজপুর, ৩১ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : জেলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় পৃথক ৩'টি অভিযানে জ্বালানি তেল মজুত রাখার অভিযোগে জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট নুর- এ আলম সিদ্দিকী এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১ টায় জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার আজাদ মোড় নামক স্থানে অবৈধ ভাবে মজুত রাখা ১ হাজার ৬৭১ লিটার ডিজেল উপজেলা প্রশাসন জব্দ করেন।
সূত্রটি জানায়, মঙ্গলবার ঘোড়াঘাট পৌর এলাকার আজাদমোড়ে ‘সালাম ভলকানাইজিং’ নামে একটি দোকানে উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যৌথ অভিযান চালিয়ে এসব ডিজেল জব্দ করেন। দোকানটির ভিতরে বেশ কয়েকটি প্লাস্টিকের ড্রামে ডিজেল সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছিল। পরে জব্দ করা ডিজেল সরকারি বাজারমূল্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।
সূত্রটি আরো জানায়, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে অবৈধ মজুত রোধে সারাদেশে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতায় ওই দোকানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ডিজেলের সন্ধান পাওয়া যায়। এ সময় দোকান মালিককে পাওয়া যায়নি।
অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবানা তানজিনের নেতৃত্বে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নিয়েছিল।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার ধনগাও বাজারে একটি বাড়িতে অবৈধ ভাবে ৩৫০ লিটার ডিজেল ও ৩০ লিটার অকটেন মজুত করে রেখেছিল। অবৈধভাবে মজুত রাখা তেল উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করার অভিযোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মিজ সুমা খাতুন ওই বাড়ীর মালিক জগদিশ রায়ের পুত্র পরিতোষ রায় (৩৮) কে ৭ দিনের কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। মজুতকৃত তেল জব্দ করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে তা বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিক্রিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
সূত্রটি জানায়, আজ দুপুর দু'টায় জেলার খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি ভুল্লারডাঙ্গা বাজারে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অয়ন ফারহান শামস এর নেতৃত্বে একটি মুদিখানার দোকানে অভিযান চালায়। ওই দোকানে অবৈধ ভাবে মজুত রাখা ১০৫ লিটার পেট্রোল জব্দ করা হয়। অভিযানের বিষয় টির পেয়ে দোকানের মালিক রাসেল আহমেদ পালিয়ে যায়।ওই দোকান থেকে উদ্ধারকৃত পেট্রোল গুলো নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে বিক্রি করা হয়েছে। বিক্রিকৃত অর্থ বিধি অনুযায়ী সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে বলে সূত্রটি জানায়।