শিরোনাম

বাগেরহাট, ১৩ মার্চ, ২০২৬ (বাসস): বাগেরহাট সদর উপজেলায় ১১টি অবৈধ পাঁজা পদ্ধতির ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে অভিযানে অবৈধভাবে পরিচালিত এসব ইটভাটায় ব্যবহৃত কাঠের জ্বালানিভিত্তিক কার্যক্রম বন্ধ করা হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে এবং বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক আসাদুর রহমানের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে জেলা পুলিশ, সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
মোবাইল কোর্টের দল সদর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বাবুরহাট বাজার এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় শ্রমিকরা ইটভাটাগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ ও অপসারণের জন্য দুই সপ্তাহ সময় প্রার্থনা করেন।
পরবর্তীতে উপস্থিত শ্রমিকদের অবৈধভাবে ইটভাটা পরিচালনার আইনগত শাস্তি ও পরিবেশ দূষণের ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করা হলে তারা অভিযানে সহযোগিতা করেন।
এরপর নির্ধারিত স্থানে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে এক্সকাভেটরের সাহায্যে মোট ১১টি পাঁজা পদ্ধতির অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এসব ইটভাটা ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯)-এর ৬ ধারা লঙ্ঘন করে নিষিদ্ধ জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করছিল। এবং বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ১২ ধারা অমান্য করে পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়াই পরিচালিত হয়ে আসছিল।
পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আসাদুর রহমান বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।