শিরোনাম

সিলেট, ৬ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় পাট দিবস উপলক্ষ্যে ‘পাট শিল্প গড়ে তুলুন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি করুন’ এই প্রতিপাদ্যে সিলেটে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ শুক্রবার একটি বর্ণাঢ্য র্যালি জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সিলেট জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও পাট অধিদপ্তরের আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সাঈদা পারভীন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, সিলেটের মাটি প্রাকৃতিকভাবে উর্বর। এক সময় এ অঞ্চলে পাটের চাষ হতো। পাট চাষ সম্প্রসারণের জন্য সিলেটে পাট অধিদপ্তরের একটি কার্যালয় স্থাপন প্রয়োজন। নতুন পাট চাষি তৈরি এবং সরকারি সহযোগিতা বাড়ানো গেলে সিলেটে চা শিল্পের পাশাপাশি পাট শিল্প ও সমৃদ্ধ হতে পারে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভাপতির বক্তব্যে সাঈদা পারভীন বলেন, পাট এ দেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। একসময় পাটকে ‘সোনালি আঁশ’ বলা হতো। পাট রপ্তানি করে দেশে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হতো। কিন্তু কালের বিবর্তনে পাটের সেই ঐতিহ্য অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। নানা প্রতিকূলতার কারণে কৃষকেরা পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।
তিনি আরও বলেন, পাটের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে হবে। পলিথিনের বিকল্প হিসেবে পাট পণ্যের ব্যবহার বাড়াতে সরকারি পর্যায়ে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা প্রয়োজন। পাশাপাশি পাট চাষে কৃষকদের উৎসাহিত করতে বীজ, সার ও আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা দরকার। টেকসই বাংলাদেশ গঠনে পাটের ব্যবহার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই।
আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মুরারীচাঁদ কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ বিলাল উদ্দীন, সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সুমিত্রা রায়, সহকারী কমিশনার সিহাব বিন আমিন, অ্যাডভোকেট চৌধুরী আতাউর রহমান আজাদ এবং পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হামীম তালুকদার।
এসময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনারবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি ও বিএনসিসি সদস্যরা