বাসস
  ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৭:২০

ঢাকা মহানগর এলাকার নিরাপত্তা ও ট্রাফিক সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা মহানগর এলাকার নিরাপত্তা ও ট্রাফিক সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। ছবি: বাসস

ঢাকা, ৩ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : পবিত্র মাহে রমজানে ঢাকা মহানগর এলাকার ব্যাংক, শপিং মলের নিরাপত্তা, ভেজাল খাদ্যদ্রব্য ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সমন্বয় সভায় সভাপতিত্ব করেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার।

সভাপতির বক্তব্যে ডিএমপির কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, রমজান মাসে ইফতারের সময় রাজধানীতে যানজট তীব্র আকার ধারণ করে। নগরবাসী যাতে যথাসময়ে গন্তব্যে পৌঁছে ইফতার করতে পারেন সেজন্য ডিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে ট্রাফিক বিভাগ ও ক্রাইম বিভাগের পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি অতিরিক্ত ফোর্স নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ইফতারের সময় তারা সড়কেই ইফতার করছেন যাতে যান চলাচল নির্বিঘ্ন থাকে।

তিনি আরও বলেন, ফুটপাত ও সড়কের অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। বাস চলাচলের সড়কে ব্যাটারিচালিত রিকশা যেন প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য ট্রাফিক পুলিশ বিশেষ তৎপর রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে ডিএমপির সংশ্লিষ্ট ইউনিট কাজ করছে। সকলের আন্তরিক সহযোগিতায় রমজান মাস সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস এন মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আজ ১৩তম রোজা পার করছি। এখন পর্যন্ত ঢাকা মহানগরে কোনো বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। বাকি রোজাগুলো যদি এভাবেই শান্তিপূর্ণভাবে পার করতে পারি তাহলে ঈদ উৎসব সুন্দরভাবে উদযাপন করতে পারবো।’

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের উদ্দেশে নজরুল ইসলাম বলেন, আপনাদের দোকান, মার্কেট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় নিয়ে আসুন। এতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি আপনারা নিজেরাও বেশি নিরাপদ থাকবেন এবং অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের কাজ সহজ হবে। যেকোনো প্রয়োজনে নিকটস্থ থানা এবং জরুরি সহায়তার জন্য জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করতে অনুরোধ করেন তিনি। 

রমজানে নগদ অর্থ ও মূল্যবান দ্রব্য পরিবহনে ডিএমপির এস্কর্ট সেবা নেওয়ারও আহ্বান জানান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার।

সমন্বয় সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম) মো. মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান, ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনারগণ, উপ-পুলিশ কমিশনারগণ, বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাগণ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিগণ ।