শিরোনাম

ঢাকা, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে এখন পর্যন্ত ১৩ লাখ ৭ হাজার ৯৫ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।
আজ রোববার সকাল ১০টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইটের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী এই পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটার ছাড়াও নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং কর্মস্থলের কারণে নিজ এলাকার বাইরে থাকা সরকারি চাকরিজীবীরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে এই নিবন্ধন করছেন।
নিবন্ধনকারীদের মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১১ লাখ ২২ হাজার ২৮৭ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮০৬ জন।
প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে সৌদি আরব থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ ২৩ হাজার ৬০৯ জন নিবন্ধন করেছেন। এছাড়া মালয়েশিয়ায় ৭৬ হাজার ৬৬০ জন, কাতারে ৭৩ হাজার ৪৬৮ জন, ওমানে ৫১ হাজার ১৬৩ জন এবং কুয়েতে ৩৩ হাজার ৬০৭ জন প্রবাসী ভোটার নিবন্ধিত হয়েছেন।
দেশের ভেতরে ‘ইন-কান্ট্রি পোস্টাল ভোট’ ক্যাটাগরিতে নিবন্ধন করেছেন ৫ লাখ ৮৪ হাজার ৩৪৭ জন। জেলাভিত্তিক নিবন্ধনে শীর্ষে রয়েছে কুমিল্লায় ৯৯ হাজার ৯১৫ জন। এরপরই ঢাকায় ৯৩ হাজার ৪৬৫ জন এবং চট্টগ্রামে ৮৩ হাজার ৭৫৯ জন।
এদিকে, আসনভিত্তিক নিবন্ধনে ফেনী-৩ আসন ১৫ হাজার ১৬৪ জন নিয়ে সবার উপরে রয়েছে। চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১২ হাজার ৭৪০ জন ও নোয়াখালী-১ আসনে ১২ হাজার ৬১২ জন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ দিনে বিশ্বের ৭৫টি দেশে অবস্থানরত ৫ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৯ জন প্রবাসী ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান বাসসকে জানান, গতকাল শনিবার পর্যন্ত পাঠানো এই ব্যালটগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪৩টি পাঠানো হয়েছে সৌদি আরবে। এছাড়া কাতারে ৬৪ হাজার ৭০০টি এবং মালয়েশিয়ায় ৬৬ হাজার ৫৭৭টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের প্রেক্ষিতে নিবন্ধনের সময়সীমা আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, আগে এই সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছিল। তবে প্রবাসী ও দেশের অভ্যন্তরের তিন ক্যাটাগরির ভোটারদের বিশেষ অনুরোধে কমিশন নিবন্ধনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৮ নভেম্বর উদ্বোধন হওয়া এই অ্যাপের মাধ্যমে ১৪৮টি দেশ থেকে প্রবাসীরা তাদের সংশ্লিষ্ট দেশের মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে নিবন্ধনের সুযোগ পাচ্ছেন। এছাড়া আইনি হেফাজতে থাকা ভোটাররাও এই প্রক্রিয়ায় নিবন্ধিত হতে পারছেন।