শিরোনাম

ঢাকা, ১ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) সাবেক কাউন্সিলর ও ব্যবসায়ী জিয়াউল হক সুমন এবং তার স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে দু’টি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
আজ দুদক প্রধান কার্যালয়ে এক নিয়মিত মিডিয়া ব্রিফিংয়ে কমিশনের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান। দুদকের চট্টগ্রাম-১ জেলা কার্যালয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকালে মামলা দু’টি দায়ের করা হয়।
প্রথম মামলার অভিযোগ বলা হয়েছে, চসিকের ৩৯ নম্বর দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর জিয়াউল হক সুমন দুদকে দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে ৮৬ লাখ ৯০ হাজার ২৩৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপন করেন এবং তার নামে ১৬ কোটি ৫১ লাখ ১০ হাজার ৩৫২ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রাখেন।
এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দুদক জানায়, জিয়াউল হক সুমনের মোট অর্জিত সম্পদ ও ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৭ কোটি ৭৭ লাখ ৫৬ হাজার টাকা, অথচ গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ পাওয়া গেছে মাত্র ১ কোটি ২৬ লাখ ৪৬ হাজার টাকা।
দ্বিতীয় মামলায় জিয়াউল হক সুমনের স্ত্রী শাহানাজ আকতারের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তিনি স্বামীর সহায়তায় ২ কোটি ২ লাখ ২৬ হাজার ২৬৯ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন। এ মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
দুদক জানায়, শাহানাজ আকতারের নামে থাকা সম্পদ ও পারিবারিক ব্যয়ের তুলনায় তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কম পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে তার ঘোষিত আয়ের বড় অংশের স্বপক্ষে গ্রহণযোগ্য রেকর্ডপত্র পাওয়া যায়নি।