শিরোনাম

ঢাকা, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : আগামী নির্বাচনে জনগণের ভোটে রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও সামাজিক স্বীকৃতি নিশ্চিত করার দৃঢ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি।
দলের নির্বাচনী ইশতেহারে এই প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে। ইশতেহারে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিবিড় জরিপের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করে মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হবে।
আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকালে এ অঙ্গীকারের কথা জানান, দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বিএনপির ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধমে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব অর্জিত হয়েছিল ১৯৭১ সালে। ১৯৭৫ সালে সিপাহী-জনতার বিপ্লব ও ১৯৯০-এর ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। রক্তার্জিত সেই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব এবং বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থানে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত সেই গণতন্ত্র আবার রক্ষা ও সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্র প্রস্তত করা হয়েছে ২০২৪ সাল জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে।’
দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে দলটির ইশাতেহারে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে নিবিড় জরিপের ভিত্তিতে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের নির্ভুল তালিকা প্রণয়ন করে মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হবে। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা ও এর স্মৃতি সংরক্ষণ করা হবে। মুক্তিযোদ্ধা উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে উৎসাহ দেওয়া হবে।’
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করার আশ্বাস দিয়ে বিএনপির ইশতেহারে বলা হয়েছে, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে শহীদদের নিজ-নিজ এলাকায় তাদের নামে সরকারি স্থাপনার নামকরণ, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে যেমন গণতন্ত্রকামী ব্যক্তি পঙ্গু হয়েছেন, চোখ হারিয়েছেন তাদেরকেও স্বীকৃতি, সুচিকিৎসা ও কর্মসংস্থানে সহায়তা প্রদান করা হবে। শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সার্বিক সহায়তা প্রদান এবং তাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে।’