বাসস
  ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:৫৮

কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালককে গলা কেটে হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড

ঢাকা, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকার কেরানীগঞ্জে অটোরিকশা চালক মুকুল হোসেন ওরফে চকলেটকে গলা কেটে হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও ৫ জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ বি এম আশফাক-উল হক আজ বৃহস্পতিবার  এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের কৌঁসুলি আবু সেলিম চৌধুরী বাসসকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত্যুদ-প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মো. সোহেল ওরফে জুয়েল, মো. শাহিন হাওলাদার, মো. সুমন ওরফে আল-আমিন, মো. কবির ও মো. ফেরদৌস ওরফে বারেক ওরফে ভাতিজা। রায় ঘোষণার সময় শাহিন ও ফেরদৌস আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদের সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে, রায় ঘোষণার সময় সোহেল, সুমন ও কবির পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রায়ে আদালত উল্লেখ করেন, ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকা-টি সংঘটিত হয়েছে এবং আসামিরা দণ্ড বিধির ৩৯৬/৩৪ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন-মো. অলি আহমেদ, মো. শাহজাহান মুন্সি, মো. কবির, মো. হাসান হাওলাদার ও জাহাঙ্গীর আলম।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, নিহত মুকুল হোসেন (৩৫) কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ২০২০ সালের ২৭ জুন দুপুরে তিনি অটোরিকশা নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি। আসামিরা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে ভিকটিম মুকুল হোসেনকে হত্যা করেন।
পরদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কোনাখোলা তুরাগ বাড়ি এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে তার গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতের ভাই মো. আবু হানিফ লাশ শনাক্ত করেন এবং এ ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত শেষ আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।