শিরোনাম

ঢাকা, ১৩ মে, ২০২৬ (বাসস) : বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সম্ভাবনাময় খাতগুলোতে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।
আজ রাজধানীর গুলশানে ডিসিসিআই সেন্টারে তুর্কিশ ইলেক্ট্রো টেকনোলজি এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (টিইটি)-এর একটি বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আহ্বান জানানো হয়।
সাত সদস্যের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন টিইটির সহ-সভাপতি বুরাক বাসেগমেজলার। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রামিস শেন উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ ধরনের সফর দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো জোরদারে সহায়ক হবে।
তিনি জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ১ দশমিক শূন্য ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়েছে ৬৩৪ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার এবং আমদানি হয়েছে ৪১৬ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য।
তাসকীন আহমেদ বলেন, বাংলাদেশে তুরস্কের উদ্যোক্তারা ইতোমধ্যে প্রায় ৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছেন। তৈরি পোশাক, চামড়া ও পাদুকা, পাটজাত পণ্য, কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত পণ্য, ওষুধশিল্প, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, তথ্যপ্রযুক্তি সেবা, সফটওয়্যার ও হোম টেক্সটাইলসহ সম্ভাবনাময় খাতে যৌথ বিনিয়োগের আহ্বান জানান তিনি।
টিইটির সহ-সভাপতি বুরাক বাসেগমেজলার বলেন, বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক পণ্য, হোম অ্যাপ্লায়েন্স ও জেনারেটরের চাহিদা বাড়ছে। এ খাতে তুরস্কের বিনিয়োগকারীরা একক ও যৌথ বিনিয়োগে আগ্রহী।
তিনি আরো জানান, আগামী নভেম্বরে তুরস্কের ইলেকট্রনিক খাতের উদ্যোক্তাদের একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে। ওই সফরে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) বৈঠক হবে, যা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত রামিস শেন বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণের বড় সুযোগ রয়েছে। এ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে দুই দেশের উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরো ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী ও সহসভাপতি মো. সালিম সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন।