বাসস
  ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮:১৪

যক্ষ্মা প্রতিরোধে অ্যান্টি-টিবি ওষুধ ক্রয় করবে সরকার

ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে রাজস্ব বাজেটের আওতায় প্রায় ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৬৫ হাজার ইউনিট অ্যান্টি-টিবি ওষুধ (৪এফডিসি) ক্রয়ের একটি প্রস্তাব সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি অনুমোদনের সুপারিশ করেছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ প্যাকেজ নং জিআর-২৫৫৭-এর আওতায় মোট ৭৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫ কোটি ৩৮ লাখ ৬৫ হাজার ইউনিট অ্যান্টি-টিবি ওষুধ (৪এফডিসি) ক্রয়ের প্রস্তাব দেয়। এম. এস রেনেটা পিএলসি-এ ওষুধ সরবরাহ করবে। 

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির চলতি বছরের ষষ্ঠ সভায় আজ এ অনুমোদন দেওয়া হয়। 

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানান, এই ওষুধ ক্রয়ের মাধ্যমে সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে জীবনরক্ষাকারী ওষুধের নিরবচ্ছিন্ন প্রাপ্যতা নিশ্চিত হবে এবং জাতীয় যক্ষ্মা নির্মূল কর্মসূচিকে সহায়তা করবে।

আজকের বৈঠকে আরও একটি প্রস্তাব অনুমোদনের সুপারিশ করা হয়, যার আওতায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) ১৪ লাখ ৮২ হাজার জিনএক্সপার্ট কার্টিজ সংগ্রহ করা হবে। এ কাজে ব্যয় হবে ২৩৭ কোটি ১২ লাখ টাকা। যক্ষ্মাসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগ নির্ণয়ে নিরবচ্ছিন্ন ডায়াগনস্টিক সেবা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘের প্রজেক্ট সার্ভিসেস অফিস (ইউএনওপিএস) এসব কার্টিজ সরবরাহ করবে।

এছাড়া, কমিটি চতুর্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪)-এর আওতায় ৪০ হাজার ৫৮৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদানের জন্য গ্রামীণফোন লিমিটেডের সঙ্গে করা ১১টি চুক্তি নবায়নের অনুমোদন দিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুমতি দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব সিদ্ধান্ত স্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা অবকাঠামো এবং জ্বালানি পরিকল্পনা জোরদারে সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।