শিরোনাম

বিপুল ইসলাম
লালমনিরহাট, ২০ মার্চ, ২০২৬ (বাসস) : আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার পর্যটন স্পট ও বিনোদন কেন্দ্রগুলোকে নতুনভাবে প্রস্তুত করা হয়েছে। সরকারি ছুটি শুরুর সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের সমন্বয়ে নেয়া হয়েছে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা।
ঈদের ছুটিতে দর্শনার্থীদের বাড়তি চাপ বিবেচনায় রেখে আগেভাগেই বিভিন্ন স্থানে সংস্কার ও সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ছুটির দিনগুলোতে পর্যটকদের ব্যাপক উপস্থিতিতে জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো প্রাণচঞ্চল হয়ে উঠবে।
প্রতি বছর ঈদকে কেন্দ্র করে জেলার পাটগ্রামের আন্তর্জাতিক তিনবিঘা করিডোর, বুড়িমারী স্থলবন্দর, রাবার ড্যাম, হাতীবান্ধার তিস্তা ব্যারাজ, নওদাবাস শালবন, কাকিনা-মহীপুর ঘাট, মহিপুর সেতু, তিস্তা সড়ক সেতু সংলগ্ন পার্ক, শেখ রাসেল শিশুপার্ক, আনন্দলোক পার্ক ও ধরলা সেতু এলাকায় দর্শনার্থীদের ব্যাপক সমাগম ঘটে। ঈদের দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী চার-পাঁচদিন এসব স্থানে ভিড় অব্যাহত থাকে।
স্থানীয় শিক্ষক মনির হোসেন বলেন, ঈদের সময় তিনবিঘা করিডোর দেখতে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ দহগ্রামে আসে। এ কারণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাড়তি তৎপরতা প্রয়োজন। শিক্ষার্থী ফাহিম হাসান বলেন, ঈদের ছুটিতে বাইরে থেকে আসা দর্শনার্থীদের জন্য বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি।
দিনাজপুরে কর্মরত মিজানুর রহমান বাসস’কে জানান, জেলার বিনোদন অবকাঠামো সীমিত হলেও শেখ রাসেল শিশুপার্কে শিশু ও বড়দের জন্য কিছুটা বিনোদনের সুযোগ তৈরি হয়, যেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রাখা হয়।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মতিন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ স্পটগুলোতে বাড়তি নজরদারি ও নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত থাকবে।
পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, তিস্তা ব্যারাজসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ছিনতাই ও ইভটিজিং প্রতিরোধে বিভিন্নস্থানে চেকপোস্ট বসানো হবে।
জেলা প্রশাসক এইচ এম রকিব হায়দার বাসস’কে বলেন, ঈদ উপলক্ষে সমন্বয় সভার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।