শিরোনাম
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে আজ বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের নতুন অফিসিয়াল জার্সি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়েছে।
নতুন এই জার্সিটি সারা দেশে ‘ইনফিনিটি’-র ১৩০টি আউটলেটে পাওয়া যাবে। এছাড়া ঢাকার বনানীতে অবস্থিত ‘ডোর’-এর নিজস্ব শোরুম এবং ইউরোপের বাজারে পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ‘ডোর’ জাতীয় দলের জার্সি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশের এই জার্সি ফিফা জাদুঘরে প্রদর্শিত হয়েছে। বর্তমানে এটি সিঙ্গাপুরের খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে এবং ‘ক্লাসিক ফুটবল শার্টস’-এর মাধ্যমে ইউরোপের বাজারেও পাওয়া যাচ্ছে।
চুক্তি অনুযায়ী, প্রতি দলের জন্য বছরে ৪০০ সেট করে ছয়টি দলের জন্য মোট ২ হাজার ৪০০ সেট জার্সি সরবরাহ করার কথা ছিল। তবে ২০২৫ সালে ডোর বাফুফেকে ১৬ হাজার ৩৫০টিরও বেশি জার্সি, ট্র্যাকস্যুট, পোলো শার্টসহ বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী সরবরাহ করেছে।
জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা যখন খেলেছি, তখন জার্সি উন্মোচন বা ব্র্যান্ডিং নিয়ে এত কিছু ভাবতাম না। কর্মকর্তারা স্থানীয়ভাবে একটি জার্সি বানিয়ে দিতেন, আমরা সেটা পরে মাঠে নেমে যেতাম। আজ সেই বাংলাদেশের জার্সি সারা বিশ্বে পরিচিত হয়েছে। বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের। আমি সবাইকে আহ্বান জানাবো, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পাশে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের জার্সিকে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে, কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোও এগিয়ে আসুন। বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। আর এই উদ্যোগে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।’
বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘জার্সিটা কিন্তু আমাদের আরেকটা পতাকা। এই জার্সিটা আপনারা দেখেছেন, ঢাকা স্টেডিয়াম, সিঙ্গাপুর স্টেডিয়াম, হংকং স্টেডিয়াম এবং সর্বশেষ সান মারিনোর স্টেডিয়ামে। সবাই যখন একই সাদা জার্সি পরে, একই লাল জার্সি পরে, অথবা গ্রিন জার্সি পরে স্টেডিয়ামে যায়, তখন এটা সত্যিই অবিশ্বাস্য যে ঐ দেশের, ঐ ফ্যানদের কাছে বাংলাদেশ একটা বড় দল হয়ে ওঠে।’
জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডোর-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আবিদ আলম চৌধুরী, বাফুফের সহ-সভাপতিবৃন্দ, নির্বাহী কমিটির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।