শিরোনাম

নাটোর, ১৬ মে, ২০২৬ (বাসস) : নাটোর থেকে রাজশাহী যাচ্ছে নতুন কুঁড়ির ১৪৪ অদম্য। আগামীকাল থেকে রাজশাহীতে শুরু হতে যাচ্ছে বিভাগীয় পর্যায়ের নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস টুর্ণামেন্ট।
দলগত ইভেন্টে ফুটবল, ক্রিকেট এবং কাবাডি, দ্বৈত ও একক ইভেন্টে ব্যাডমিন্টন এবং একক ইভেন্টে দাবা, এ্যাথলেটিক্স, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট-এই আটটি ইভেন্টে বিভাগীয় পর্যায়ে যাবে নাটোর জেলার মোট ১৪৪ জন প্রতিযোগী।
‘স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আটটি ইভেন্টে ‘নতুন কুড়ি স্পোর্টস’ শুরু হয় নাটোরে।
‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচীতে আটটি ইভেন্টে জেলায় ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী নিবন্ধিত প্রতিযোগীর সংখ্যা ছিলো প্রায় আড়াই হাজার। এসব প্রতিযোগিরা জেলার সাতটি উপজেলা এবং একটি পৌরসভা পর্যায়ের বাছাই কার্যক্রমে অংশগ্রহন করে। উপজেলা ও পৌরসভার বিজয়ী খেলোয়াড়বৃন্দ ২ মে থেকে ১১ মে পর্যন্ত জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়।
জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগীতায় বিজয়ী বালক ও বালিকা পর্যায়ে সাঁতার ও মার্শাল আর্টে আটজন করে, এ্যাথলেটিক্সে ছয়জন করে, ব্যাডমিন্টনে চারজন করে এবং দাবায় দুইজন করে খেলোয়াড় বিভাগীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহন করবে।
তবে দলগত তিনটি ইভেন্টের সকল খেলা পর্যবেক্ষণ করে জেলার আটটি দল থেকে সেরা খেলোয়াড় বাছাই করে জেলা দল গঠন করেছে নির্বাচকমন্ডলী। এরমধ্যে বালক ও বালিকা ফুটবলে ১৮ জন করে, ক্রিকেটে ১৪ জন করে এবং কাবাডিতে ১২ জন করে।
একক ইভেন্টে বিজয়ী কিংবা দলগত ইভেন্টে নির্বাচিত ১৪৪ জন খেলোয়াড়ই যেন ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ এর মাসকট ‘অদম্য’র মতই বাঁধাহীন। নাটোরে জেলা স্টেডিয়ামের অবারিত মাঠে এখন চলছে বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহনের দলগত প্রস্তুতি।
নাটোরের ফুটবল বালিকা দলের অধিনায়ক আলেয়া। খেলার মাঠে সবসময়ই সে গোলের নেশা মত্ত থাকে।
জেলা পর্যায়ের তিনটি ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করে সে তার লালপুর উপজেলা দলকে চ্যাম্পিয়ন করেছে। স্ট্রাইকার আলেয়া বলেন, এখন বিভাগীয় পর্যায়ের খেলাগুলোতে গোল করতে চাই, নাটোর জেলা দলকে বিজয়ী করতে চাই।
জেলা পর্যায়ে বালকদের ক্রিকেটে অনবদ্য নাটোর সদরের আবু তালহা। তিন ম্যাচে ১০৫ রান আর ছয় উইকেট তার ঝুলিতে। ‘বিভাগেও ভালো করবো’- আশাবাদ তালহা’র।
কাবাডিতে জেলা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা পালনকারী বাগাতিপাড়া কাবাডি দলের মেধাবী খেলোয়াড় ইলা খাতুন জানায়, ‘এখনো অনেক দূরে যেতে হবে’।
ব্যাডমিন্টনের একক এবং দ্বৈত-উভয় পর্যায়ে বিজয়ী গুরুদাসপুরের আরিয়ান। আরিয়ান বলেন, ‘আমি তো হারতে শিখিনি’।
জেলা ক্রীড়া অফিসার রাকিবুল হাসান এছামী বাসস’কে বলেন, নাটোর জেলায় বিজয়ী এবং নির্বাচিত মোট ১৪৪ জন প্রতিযোগীই বিভিন্ন কারণে অসাধারণ, তারা অদম্য। এখন বিভাগীয় পর্যায়ে তাদের বিজয়ের প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সকলের।