শিরোনাম

ঢাকা, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : নারী ফুটবলে শীর্ষ দলগুলোর তুলনায় চীন অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন কোচ আন্তে মিলিসিচ। টানা দ্বিতীয়বার মহাদেশীয় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামার আগে তিনি এই সতর্কবার্তা দেন।
আগামী ১ মার্চ শুরু হচ্ছে নারী এশিয়ান কাপ। শিরোপার লড়াইয়ে এবার জাপান, উত্তর কোরিয়া ও স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়াকে প্রধান দাবিদার ধরা হচ্ছে।
চীন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন এবং এই প্রতিযোগিতার ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল। তবে বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ সারিতে থাকার দিন অনেক আগেই শেষ হয়েছে তাদের। চার বছর আগে ভারতে শিরোপা জয়ের পর থেকে ফলাফল মোটেই আশাব্যঞ্জক ছিলনা।
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ২০২৩ নারী বিশ্বকাপে তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। প্যারিস অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা হারায় এবং গত নভেম্বরে ইংল্যান্ডের কাছে ৮-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়।
২০২৪ সালের মে মাস থেকে দায়িত্বে থাকা অস্ট্রেলিয়ান কোচ মিলিসিচ বলেন, চীনের গৌরবময় দিন ফিরিয়ে আনাই এখন বড় দায়িত্ব।
ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে বর্তমানে চীন ১৭তম স্থানে রয়েছে, যদিও একসময় তারা চতুর্থ স্থানেও ছিল।
এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের ওয়েবসাইটে চীনের কোচ বলেন, “এত বড় ও ফুটবলপ্রেমী জনসংখ্যার দেশের জাতীয় দলের কোচ হওয়া বিশাল চ্যালেঞ্জ।”
এশিয়ান কাপ ও তার পরবর্তী সময়ে চীনের সামনে থাকা কঠিন কাজের ব্যাপারে ৫১ বছর বয়সী এই কোচ বলেন, “নারী ফুটবল খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিনিয়োগ বাড়ছে, জনপ্রিয়তা বাড়ছে, মান অনেক উঁচুতে উঠে গেছে। চীনের মতো দেশগুলোকে তাল মিলিয়ে চলতে হবে, কারণ ইতোমধ্যেই বেশ ব্যবধান তৈরি হয়ে গেছে।”
ইউরোপে নারী ফুটবলের উন্নতি বিশেষভাবে চোখে পড়ার মতো, যার প্রমাণ ওয়েম্বলিতে ইংল্যান্ডের কাছে চীনের বড় হার।
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই কোচ বলেন, “চীন ও এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশকে জাতীয় দলের জন্য উচ্চমানের খেলোয়াড় তৈরি করার দিকে মনোযোগ দিতে হবে। ইউরোপে নারী ফুটবলের উন্নয়ন এখন ভিন্ন এক স্তরে পৌঁছেছে। ওই অঞ্চলের ফুটবল অনুসরণ করলে বিষয়টি সবার কাছেই স্পষ্ট।”
আগামী ৩ মার্চ নারী এশিয়ান কাপের অভিষিক্ত বাংলাদেশ দলের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শিরোপা রক্ষার অভিযান শুরু করবে চীন।
গ্রুপ ‘বি’-তে তাদের সঙ্গে আরও রয়েছে উত্তর কোরিয়া ও উজবেকিস্তান।