শিরোনাম

ঢাকা, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বাসস) : বার্সেলোনার সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা পুন:নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করার জন্য পদত্যাগ করেছেন।
২০২১ সালের মার্চে ৫৪ শতাংশ ভোট পেয়ে দায়িত্ব নেওয়া লাপোর্তা ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রায় পাঁচ বছর দায়িত্ব পালনের পর পদ ছাড়লেন। আগামী সাড়ে তিন মাসের জন্য সহ-সভাপতি রাফা ইউস্তে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আইনজীবী লাপোর্তা ব্যালটের মাধ্যমে আবারও সভাপতির পদে ফেরার লক্ষ্য নিয়েছেন। আগামী ১ জুলাই দায়িত্ব গ্রহণ করতে চান। দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভিক্টর ফন্টের বিপক্ষে তাকে স্পষ্ট ফেভারিট হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সাবেক ক্লাব নির্বাহী হ্যাভিয়ের ভিলাজোয়ানা এবং প্রথমবারের মতো বার্সেলোনার নির্বাচনে অংশ নেয়া অর্থনীতিবিদ মার্ক সিরিয়াও প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ নিশ্চিত করেছেন।
আইনগতভাবে প্রাপ্তবয়স্ক এবং অন্তত এক বছর সদস্যপদ রয়েছে, এমন প্রায় ১ লাখ বার্সেলোনা সদস্য ভোট দেওয়ার যোগ্য।
বার্সেলোনা নিশ্চিত করেছে, ভোটার উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যে এবারও একাধিক ভেন্যুতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ক্লাবের নিজস্ব স্থাপনার পাশাপাশি কাতালোনিয়ার অন্য তিনটি প্রাদেশিক রাজধানী- জিরোনা, তারাগোনা ও লেইদা—এবং আন্দোরার রাজধানী আন্দোরা লা ভেলায় ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
বিরোধী প্রার্থীদের অনুরোধ সত্ত্বেও ডাকযোগে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হবে না বলে জানিয়েছে ক্লাবটি।
এক বিবৃতিতে বার্সেলোনা জানায়, “কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২১ সালের নির্বাচনে ব্যতিক্রমীভাবে ডাকভোট চালু করা হয়েছিল।”
২০২১ সালের নির্বাচনে ভোট দেওয়া ৫৫ হাজার সদস্যের মধ্যে ২০ হাজারের বেশি ডাকযোগে ভোট দিয়েছিলেন।
লাপোর্তার সর্বশেষ মেয়াাদ ছিল অস্থিরতা ও রূপান্তরের সময়কাল। এই সময়ের শুরুতে লিওনেল মেসি প্যারিস সেন্ট-জার্মেইতে চলে যান। এরপর থেকে দলটি লা লিগা ও কোপা দেল রে শিরোপা ধরে রাখার পাশাপাশি গত বছর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে পৌঁছে ইউরোপে নিজেদের অবস্থান পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিযয়ে যাচ্ছে।
বর্তমান দলে রয়েছেন ১৮ বছর বয়সী লামিন ইয়ামাল, যার উত্থান লাপোর্তা গ্যালারি থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন।
মাঠের বাইরে সংস্কার কাজের জন্য আড়াই বছর পর গত নভেম্বরে বার্সেলোনা আবারও ক্যাম্প ন্যুতে ফিরে এসেছে। কাজ এখনো চলমান থাকায় ধারণক্ষমতা সীমিত রাখা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়সূচির চেয়ে পিছিয়ে আছে প্রকল্পটি। তবুও ফিরতি এই যাত্রা জার্মান কোচ হান্সি ফ্লিকের নেতৃত্বে আক্রমণাত্মক ফুটবলে অনুপ্রাণিত দলের চারপাশে নতুন আশাবাদ তৈরি করেছে, যা সমর্থকদের মন জয় করেছে।