বাসস
  ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:০৭

সেইফার্টের ব্যাটিং নৈপুন্যে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু আফগানিস্তানের

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : ওপেনার টিম সেইফার্টের ব্যাটিং নৈপুন্যে জয় দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু করল নিউজিল্যান্ড। 

আজ ‘ডি’ গ্রুপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ড ১৮৩ রান তাড়া করে ৫ উইকেটে হারিয়েছে আফগানিস্তানকে। এর আগে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৭০ রানের বেশি তাড়া করে কখনও জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ৪২ বলে ৬৫ রানের ম্যাচ জয়ী ইনিংস খেলে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন সেইফার্ট।

চেন্নাইয়ে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩৫ রানের সূচনার পর দ্রুতই সাজঘরে ফিরেন আফগানিস্তানের দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও ইব্রাহিম জাদরান। ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ২২ বলে ২৭ রান করেন গুরবাজ এবং ১০ রান করেন জাদরান। 

৪৪ রানে ২ উইকেট পতনের পর আফগানিস্তানকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন গুলবাদিন নাইব ও সেদিকুল্লাহ আতাল। নাইবের ঝড়ো ইনিংসে জুটিতে ৫১ বলে ৭৯ রান উঠে। এই জুটিতেই ২৯ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন নাইব। ২৪ বলে ২৯ রান করা আতালের বিদায়ে ভাঙ্গে জুটি।

১৮তম ওভারে দলীয় ১৫৬ রানে বিদায় নেওয়ার আগে ৩৫ বলে ৩টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৬৩ রান করেন নাইব। শেষ দিকে দারউইশ রাসুলির ১৩ বলে ২০, আজমতুল্লাহ ওমারজাইর ১৪ এবং মোহাম্মদ নবির ১০ রানের সুবাদে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রানের সংগ্রহ পায় আফগানিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে এটি সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর আফগানদের। নিউজিল্যান্ডের লুকি ফার্গুসন ২ উইকেট নেন। 

জবাবে ১৪ রানে ২ উইকেট পতনে শুরুতেই চাপে পড়ে নিউজিল্যান্ড। কিউই ওপেনার ফিন অ্যালেনকে ১ ও রাচিন রবীন্দ্রকে খালি হাতে বিদায় দেন আফগানিস্তানের স্পিনার মুজিব উর রহমান। 

শুরুর চাপ দারুণভাবে সামাল দিয়ে ৪৭ বলে ৭৪ রানের জুটিতে নিউজিল্যান্ডকে লড়াইয়ে ফেরান সেইফার্ট ও গ্লেন ফিলিপস। ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৫ বলে ৪২ রান করে আফগান অধিনায়ক রশিদ খানের বলে বোল্ড হন ফিলিপস। এরপর ৩৯ বলে টি-টোয়েন্টিতে ১৪তম অর্ধশতক পূর্ণ করেন সেইফার্ট। 

দলীয় ১২৪ রানে চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে সেইফার্ট ফেরার পর মার্ক চ্যাপম্যান, ড্যারিল মিচেল ও অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনারের ছোট-ছোট ইনিংসের সুবাদে ১৩ বল বাকী থাকতে জয়ের স্বাদ পায় নিউজিল্যান্ড। 

চ্যাপম্যান ১৭ বলে ২৮, মিচেল ১৪ বলে অপরাজিত ২৫ এবং স্যান্টনার ৮ বলে ১৭ রান করেন। মুজিব ২ উইকেট নেন।