শিরোনাম

ঢাকা, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস) : বাঁ-হাতি পেসার স্যাম কারানের হ্যাটট্রিকে বৃষ্টি বিঘ্নিত প্রথম টি২০ ম্যাচে স্বাগতিক শ্রীলংকাকে ১১ রানে পরাজিত করে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে ইংল্যান্ড।
শুক্রবার ক্যান্ডির পাল্লেকেলে স্টেডিয়ামে বৃষ্টির কারনে তিন ওভার কমিয়ে ১৭ ওভারের নির্ধারিত ম্যাচ কিছুটা দেরিতে শুরু হয়। ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধন্ত নেন। তার এই সিদ্ধান্ত দারুনভাবে কাজে লাগিয়েছেন বোলাররা। ইংলিশ বোলারদের তোপের মুখে লংকান ইনিংস ১৬.২ ওভারে ১৩৩ রানে গুটিয়ে যায়।
শুরু থেকেই কিছুটা নার্ভাস মনে হয়েছে শ্রীলংকার ওপেনারদের। তৃতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ওপেনার কামিল মিশ্রা ১৬ রানে আউট হলে দলীয় ২৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলংকা। তবে আরেক ওপেনার পাথুন নিশাঙ্কা ও উইকেটরক্ষক কুশাল মেন্ডিসের ৫২ রানের জুটিতে ৭ ওভারে তাদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১ উইকেটে ৭৬।
অষ্টম ওভারের প্রথম বলেই নিশাঙ্কাকে সাজঘরে পাঠিয়ে বিপদজনক হয়ে ওঠা জুটি ভাঙ্গেন আদিল রশীদ। নিশাঙ্কা তিনটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সহায়তায় ২০ বলে ২৩ রান করেন।
নিশাঙ্কার উইকেট পতনের পর লংকান ইনিংসে ধ্বস নামে। পরের ২১ বলে তারা চার উইকেট হারায়। এর মধ্যে মেন্ডিসের উইকেটও ছিল। ১১.৪ ওভারে শ্রীলংকার স্কোর দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ৯৮।
মাত্র ২০ বলে চারটি বাউন্ডারি ও দুটি ওভার বাউন্ডারির সহায়তায় সর্বোচ্চ ৩৭ রান করেন মেন্ডিস।
মিডল অর্ডারের ধ্বসের পর অধিনায়ক দাসুন শানাকা (২০) ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা সপ্তম উইকেটে ৩১ রান যোগ করে ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেছেন। এরপরের কাজটুকু করেছেন কারান। ১৬তম ওভারের চতুর্থ বলে দাসুনকে সাজঘরে পাঠিয়ে তিনি প্রথমে জুটি ভাঙ্গেন। পরবর্তী দুই ডেলিভারিতে মাহেশ থিকশানা ও মাতিশা পাথিরানাকে গোল্ডেন ডাক করে তিনি হ্যাটট্রিক পূরণ করেন। ক্রিস জর্ডানের পর দ্বিতীয় ইংলিশম্যান হিসেবে টি২০ ম্যাচে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখালেন কারান।
পরের ওভারের দ্বিতীয় বলে শ্রীলংকার একমাত্র ভরসা হাসারাঙ্গাকে (১৪) বোল্ড করে জেমি ওভারটন লংকান ইনিংসের সমাপ্তি ঘটান।
রশিদ ও কারান ৩টি করে উইকেট দখল করেছেন। এছাড়া ওভারটন ও লিয়াম ডওসন নিয়েছেন ২টি করে উইকেট।
১৩৪ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ইংল্যান্ড ১৫ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান করে। ফিল সল্ট ৩৫ বলে তিনটি বাউন্ডারি ও দুটি ওভার বাউন্ডারির সহায়তায় সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। এছাড়া টম ব্যান্টন ও অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক করেছেন যথাক্রমে ২৯ ও ১৬ রান।
কিন্তু ঐ সময় আবারো বৃষ্টির কারনে আবারো খেলা বন্ধ হয়ে যায়। কিছুক্ষন অপেক্ষার পর মাঠ খেলার অনুপযুক্ত হওয়ায় ম্যাচটি আর শেষ করা যায়নি। রান রেটে এগিয়ে থাকার কারনে ডার্ক ওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ইংল্যান্ডকে ১১ রানে জয়ী ঘোষনা করা হয়।
এহসান মালিঙ্গা দুই ওভারে ২৪ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট। পাথিরানা ও শানাকা ১টি করে উইকেট দখল করেছেন।