বাসস
  ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:১১

এক্সেটারকে ১০-১ গোলে বিধ্বস্ত করেছে ম্যান সিটি, অভিষেকে সেমেনিয়োর গোল

ঢাকা, ১১ জানুয়ারি ২০২৬ (বাসস) : ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই গোল করেছেন ঘানার ফরোয়ার্ড আঁতোয়ান সেমেনিয়ো। শনিবার এফএ কাপের তৃতীযয় রাউন্ডে সিটি এক্সেটারকে ১০-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে।

ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামে সিটির দূরন্ত পারফরম্যান্সে ম্যাচে দ্বিতীয়ার্ধে সেমেনিয়ো গোল করেন। দীর্ঘদিন চোটে ভোগা মিডফিল্ডার রড্রিও ২০২৪ সালের মে মাসের পর প্রথমবারের মতো গোলের দেখা পান।

শুক্রবার ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে বোর্নমাউথ থেকে সিটিতে যোগ দেন সেমেনিয়ো। পেপ গার্দিওলার দলে এসেই প্রভাব ফেলতে দেরি করেননি ঘানার এই ফরোয়ার্ড।

লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও টটেনহ্যামও সেমেনিয়োকে নিতে আগ্রহী ছিল। 

১২তম মিনিটে পোস্টের কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে টিনএজ ডিফেন্ডার ম্যাক্স অ্যালেইন গোলের উৎসব শুরু করেন, এটি ছিল সিটির হয়ে তার প্রথম গোল। ২৪তম মিনিটে দূরপাল্লার শটে রড্রি গোল করে অবশেষে স্কোরশিটে ফেরেন। এর আগে সেমেনিয়োরর শট রুখে দেন এক্সেটারের গোলরক্ষক জো উইটওয়ার্থ।

৪২তম ও ৪৫তম মিনিটে এক্সেটারের জেক ডোয়েল-হেইস ও জ্যাক ফিটজওয়াটারের আত্মঘাতী গোল ম্যাচের ফলাফলে আর কোনো সন্দেহ রাখেনি।

তবু সিটি আক্রমণ চালিয়ে গেছে। ৪৯তম মিনিটে সেমেনিয়োর সহায়তায় লুইসের ভলিতে সিটি পঞ্চম গোল পায়। পাঁচ মিনিট পরই ক্লিনিক্যাল ফিনিশে নিজের অভিষেক গোলটি করেন সেমেনিয়ো।

৭১তম মিনিটে বক্সের প্রান্ত থেকে বাঁকানো শটে তিজানি রেইনডার্স সপ্তম গোলটি করেন। এরপর লুইসের ক্রস থেকে দুর্দান্ত হেডে অষ্টম গোল যোগ করেন নিকো ও’রাইলি।

৮৬তম মিনিটে ১৭ বছর বয়সী রায়ান ম্যাকআইডু বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নবম গোলটি করেন। এরপর জর্জ বার্চ টপ কর্নারে দুর্দান্ত শটে এক্সেটারকে সান্তনার এক গোল উপহার দেন।

তবে সিটি এখানেই থামেনি। যোগ করা সময়ে লুইস আবারও গোল করে স্কোরলাইন ১০-১ পূর্ণ করেন।

১৯৮৭ সালে হাডার্সফিল্ডকে একই ব্যবধানে হারানোর পর এটিই সিটির সবচেয়ে বড় জয়। ২০১৯ সালে তারা বার্টনকে ৯-০ গোলে পরাজিত করেছিল।

এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার কারণে গার্দিওলা টাচলাইনে না থাকলেও দল গঠনেই স্পষ্ট ছিল তিনি কোনো ছাড় দিতে চাননি। ছয়টি পরিবর্তন করেও তিনি শক্তিশালী একাদশ নামান, যেখানে আর্লিং হালান্ডও ছিলেন।

এর ফলে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে চার ম্যাচ পর জয়ের দেখা পেল সিটি। টানা তিনটি প্রিমিয়ার লিগ ড্রয়ের পর তারা লিগের শীর্ষ দল আর্সেনালের থেকে ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে পড়েছিল।