শিরোনাম
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : বহুল প্রতীক্ষিত পর্যটন মহাপরিকল্পনা চলতি বছরের মধ্যেই চূড়ান্ত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের (বিটিবি) নবনিযুক্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী।
তিনি বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পর পর্যটকদের জন্য সর্বোত্তম সেবা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করাকে আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। পর্যটন মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী—আমরা এগিয়ে যেতে চাই, যা এ বছরই চূড়ান্ত হবে বলে আশা করছি।’
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিবি কার্যালয়ে অ্যাভিয়েশন অ্যান্ড ট্যুরিজম জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (এটিজেএফবি) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বিটিবি প্রধান এসব কথা বলেন।
২০১৯ সালে বিটিবি এই কৌশলগত পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছিল। তবে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, কোভিড-১৯ মহামারি এবং পরবর্তী প্রশাসনিক পরিবর্তনের কারণে এর বাস্তবায়ন ও চূড়ান্ত অনুমোদন বিলম্বিত হয়।
পরবর্তীতে পরিকল্পনাটি আরো পর্যালোচনা ও সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠানো হয়।
সরকার এখন দেশজুড়ে প্রায় ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকেন্দ্র নিয়ে একটি সমন্বিত মহাপরিকল্পনার কাজ করছে। এতে পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পর্যটন উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ফারুকী বলেন, পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা ও সেবার মান বাড়াতে এবং উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করতে বিটিবি পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন, ‘পর্যটকদের সুযোগ-সুবিধা ও সেবা বাড়ানোর লক্ষ্যে আমাদের বেশ কয়েকটি প্রকল্প রয়েছে। আমরা এগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করতে চাই।’
বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ করার উদ্যোগ প্রসঙ্গে বিটিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিদেশি দূতাবাস ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার করবে বোর্ড।
তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, দূতাবাস ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত হতে চাই, যাতে তারা তাদের দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশ ভ্রমণে উৎসাহিত করে।’
তিনি জানান, বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্য হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরার পাশাপাশি পর্যটনকেন্দ্রগুলোর সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো এবং ভ্রমণকারীদের জন্য যাতায়াত আরো সহজ করারও পরিকল্পনা রয়েছে বিটিবির।