বাসস
  ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৪
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৯

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনিয়ম বেনামি ঋণ জালিয়াতির আসল চিত্র শনাক্ত: বাংলাফ্যাক্ট

ছবি: পিআইবি

ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস): পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনিয়ম, বেনামি ঋণ, বিপুল অংকের জালিয়াতি, প্রকৃত মন্দ ঋণের আসল চিত্র শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাফ্যাক্ট জানায়, খেলাপি ঋণে বাংলাদেশ শীর্ষে থাকার কারণ বর্তমান সরকার নয়, পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।

বাংলাফ্যাক্ট জানায়, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দীর্ঘ সময় ধরে ব্যাংকিং খাতের প্রকৃত খেলাপি ঋণের চিত্র আড়াল করে রাখা হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া বিশেষ নীতিগত ছাড়, যেমন বারবার ঋণ পুনঃ তফসিল (Rescheduling), এককালীন বিশেষ ছাড় এবং হিসাবগত মারপ্যাঁচের মাধ্যমে অনেক বড় বড় সমস্যাগ্রস্ত ও বেনামি ঋণকে কৃত্রিমভাবে ‘নিয়মিত’ বা ‘ভালো ঋণ’ হিসেবে খাতা-কলমে দেখানো হতো। 

ফলে কাগজ-কলমে খেলাপি ঋণের হার অনেক কম মনে হলেও ভেতরে ভেতরে ব্যাংকিং খাতের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক ছিল।

জুলাই অভ্যুত্থানের পর দেশের সামগ্রিক ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের সংস্কার শুরু হয়। ব্যাংকগুলোর প্রকৃত সম্পদের মান পর্যালোচনা (Asset Quality Review)এবং দেশি ও আন্তর্জাতিক স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গভীর নিরীক্ষা v (Audit) চালানো হয়। এর ফলে বছরের পর বছর ধরে আড়ালে থাকা অনিয়ম, বেনামি ঋণ, বিপুল অংকের জালিয়াতি এবং নীতিগত ছাড়ের আড়ালে ঢাকা পড়া প্রকৃত মন্দ ঋণের আসল চিত্র সামনে চলে আসে।

ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বাংলাদেশকে ঘিরে নানা ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। এসব অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকাল সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশ নেওয়া দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে ছড়ানো হয়। পাশাপাশি সাম্প্রতিক নানা বিষয়ে বিএনপি ও বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টা শনাক্ত করা হচ্ছে।

'বাংলাফ্যাক্ট' প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ পিআইবি'র ফ্যাক্টচেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম, যারা নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই করে সত্য তুলে ধরে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা করে।

ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া শত শত ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট।  বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ায় দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।