শিরোনাম

টাঙ্গাইল, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, বিএনপির নেতৃত্বেই দেশে গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাকশাল থেকে বাংলাদেশের মানুষকে বহুদলীয় গণতন্ত্র দিয়েছিলেন। বিএনপির নেতৃত্বে এ দেশের মানুষ গণতন্ত্র লালন করেছেন।
আজ মঙ্গলবার টাঙ্গাইল শহরের শহিদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৯ বছর আন্দোলন করেছেন, গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন। তাঁর আন্দোলনের মধ্য দিয়েই আজকের সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৭৫ এর সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের আন্দোলন-প্রতিটি গণতন্ত্রকামী আন্দোলনে বিএনপি নেতৃত্ব দিয়েছে।
তিনি বলেন, যতবার গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হয়েছে, ততবারই বিএনপি গণতন্ত্রকে তুলে ধরেছে এবং প্রতিষ্ঠিত করেছে। আমরা বুকে হাত দিয়ে বলতে পারি, বিএনপি কখনো গণতন্ত্রের বিপক্ষে যায়নি।
স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া দল বিএনপি-উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিএনপিকে কেউ ফ্যাসিবাদী, স্বৈরাচার বা রাজাকার বলতে পারে না। কারণ বিএনপির নেতৃত্বেই ফ্যাসিবাদের পতন হয়েছে, স্বৈরাচারের পতন হয়েছে এবং বিএনপির হাত ধরেই গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে।
সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের বয়স মাত্র ছয় মাস। এই ছয় মাসের মধ্যেই নির্বাচনী যেসব প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল, তার প্রত্যেকটি বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের বেতন-ভাতা, খাল খনন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ এবং স্কুলের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ ও পোশাক দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। কীভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ধ্বংস করা যায় এবং গণতন্ত্রকে ধ্বংস করা যায়, সে ষড়যন্ত্র চলছে। এসব ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীনের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য দেন মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ বি এম শহিদুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আলী ইমাম তপন, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. আজগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলী এবং জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ।