বাসস
  ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:৫৪

আমরা কারও পাতানো ফাঁদে পা বাড়াবো না : গয়েশ্বর চন্দ্র

ছবি : বাসস

ঢাকা দক্ষিণ, ১ সেপ্টেম্বরে, ২০২৬ (বাসস) : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্ব ও ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলাদেশে বারবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত ও পুনরুদ্ধার হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মঙ্গলবার বিকেলে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপি আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য র‌্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শহীদ জিয়া থেকে শুরু করে বর্তমান নেতৃত্বের ধারাবাহিক অবদান তুলে ধরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, স্বাধীনতার মূল আকাক্সক্ষা ছিল গণতন্ত্র। সেই বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিএনপি প্রতিষ্ঠা ও ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন। তার শাহাদাতের পর দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে স্বৈরাচারের হাত থেকে গণতন্ত্র উদ্ধার করেন। আর সাম্প্রতিক সময়ে বেগম খালেদা জিয়াকে বন্দি রাখা হলে জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রবাসে বসে দলকে সুসংগঠিত করেছেন। সকল রাজপথের দলকে এক ছাতার নিচে এনে ৩১ দফার ভিত্তিতে তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।

সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীদের অত্যন্ত ধৈর্য ও সহনশীল থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা কারও কথায় কান দেব না এবং কারও পাতানো ফাঁদে পা বাড়াবো না। শত ভাইয়ের জীবনের বিনিময়ে অর্জিত এ গণতন্ত্র ও সরকারের বিরুদ্ধে যারা ষড়যন্ত্র করবে, তারা ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে চিহ্নিত হবে। ভেতরে বা বাইরে যারা বিশৃঙ্খলা করতে চায়, তাদের বিএনপি নয়, এ দেশের জনগণই প্রতিহত করবে।

সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ৫ আগস্টের ফ্যাসিবাদের পতনে বিএনপি নেতাকর্মীরা শুরু থেকেই রাজপথে সর্বাত্মক ও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। আন্দোলনের সকল শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি ঘোষণা দেন, আন্দোলন-সংগ্রামে যারা পঙ্গু ও আহত হয়েছেন, বিএনপি সরকার তাদের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ও জীবন পুনর্বাসনে বদ্ধপরিকর।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী এমপি। 

সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। এতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মীরা নানা রকম প্লে-কার্ড,ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন।