শিরোনাম

ঢাকা, ১৩ জুন, ২০২৬ (বাসস) : অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলকে নিয়ে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অপতথ্য ছড়ানোর অভিযোগে শাহবাগ থানায় আজ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন আজ এ বিষয়ে জিডি করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয় যে, অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল গত ১১ জুন সকাল ৯টায় অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে অবস্থানকালীন ফেসবুক ব্রাউজ করতে গিয়ে দেখতে পান, জনৈক অ্যাডভোকেট এ বি এম ইব্রাহিম খলিল নামক একটি ফেসবুক আইডি দিয়ে মানহানি করার উদ্দেশ্যে তার নামে ভিত্তিহীন অভিযোগ সংক্রান্ত একটি চিঠি আপলোড করে প্রকাশ করেছে। যে চিঠির বিষয়বস্তু সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মিথ্যা, কল্পনাপ্রসূত, পরস্পরবিরোধী ও অসংগতিপূর্ণ। ওই চিঠিতে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে জানুয়ারি মাসে একটি মামলায় চুক্তিবদ্ধ হয়ে অর্থ গ্রহণের অভিযোগ করা হয়েছে, অর্থের পরিমাণ সম্পর্কে একই চিঠির বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অঙ্ক উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ, ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল গত ২৫ মে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। এছাড়া চিঠিতে অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগসংক্রান্ত বিষয়ে আর্থিক দুর্নীতির ভিত্তিহীন ও মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।
ভিত্তিহীন অভিযোগ সংক্রান্ত ওই চিঠিটি সর্বপ্রথম অ্যাডভোকেট এবিএম ইব্রাহিম খলিল আইডি থেকে প্রকাশ করা হয়েছে উল্লেখ করে জিডিতে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, চেম্বার-জজ এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগের কার্যধারা ও কজলিস্ট বিষয়েও মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। যার ফলে প্রধান বিচারপতি ও সুপ্রিম কোর্টের ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করা হয়েছে।
ভিত্তিহীন অভিযোগ সংক্রান্ত ওই চিঠিটিতে জনৈক ফিরোজুর রহমান ওরফে ফিরোজপুর রহমানের কথিত স্বাক্ষর উল্লেখ করা হয়েছে। চিঠিটি কোনো দপ্তরে জমা দেওয়ার কোনো প্রমাণ নেই উল্লেখ করে জিডিতে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল এবং বিচার বিভাগের মানহানি ও ভাবমূর্তি ক্ষুণœ করার উদ্দেশ্যেই এই ষড়যন্ত্রমূলক চিঠিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে এবং কতিপয় ভুঁইফোঁড় ফেসবুক পেজ, গ্রুপ ও অনলাইন পোর্টালে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফেসবুক আইডি ও পেজগুলোর ভিত্তিহীন অপপ্রচারের ফলে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস ও বিচার বিভাগের প্রতি জনমনে নেতিবাচক মনোভাব সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে বিচার বিভাগকে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের দায়িত্ব নেওয়ার পরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। এছাড়া ইতঃপূর্বে কতিপয় ব্যক্তি দুর্নীতির অভিযোগে অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস থেকে চাকরিচ্যুত হয়েছে। মিথ্যা ও ভিত্তিহীন চিঠির ঘটনায় জড়িত, দায়ী, অভিযুক্ত ও চাকরিচ্যুতদের সংশ্লিষ্টতা ও ইন্ধন থাকতে পারে। তাই এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অপরাধী ও তাদের ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে জিডিতে অনুরোধ করা হয়েছে।