শিরোনাম

ঢাকা, ৯ জুন, ২০২৬ (বাসস) : আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে দৈনিক জনকণ্ঠ থেকে অবৈধভাব ছাঁটাইকৃত সাংবাদিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ছাঁটাইপত্র প্রত্যাহার এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানিয়েছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।
আজ দুপুরে প্রতিষ্ঠানটিতে গণ-ছাঁটাই ও হয়রানির প্রতিবাদে দৈনিক জনকণ্ঠ সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারি ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচিতে এ দাবি জানানো হয়।
জনকণ্ঠের মালিকদেরকে ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে ডিইউজে’র ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম বলেন, পত্রিকাটির ওপর আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা ঘাপটি মেরে বসে আছে।
জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে তিনি সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে অনতিবিলম্বে চলমান সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান।
অন্যথায় যে কোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতির দায় কর্তৃপক্ষকেই নিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তিনি।
অবস্থান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন- ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সিনিয়র সহসভাপতি রফিক মুহাম্মদ, দৈনিক জনকণ্ঠের প্ল্যানিং অ্যাডভাইজার জয়নাল আবদীন শিশির, ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক ও ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনির জারিফ, বিশেষ প্রতিনিধি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ জসিম প্রমুখ।
অবস্থান কর্মসূচি শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল আশপাশের প্রধান সড়ক পদক্ষিণ করে পুনরায় জনকণ্ঠ ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
সাংবাদিক-শ্রমিক-কর্মচারীদের শ্রম-ঘামের ওপর ভর করে গত ৩৪ বছরে জনকণ্ঠের মালিকপক্ষ হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছে উল্লেখ করে ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, তারা এদেশে এখন ফ্যাসিবাদি বয়ান তৈরি করেছে। এখনও পতিত আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের পায়তারা করছে।
সাংবাদিক সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে এমন ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে বলে ঘোষণা দেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ষড়যন্ত্রকারীদের কুমন্ত্রণায় প্ররোচিত হয়ে দৈনিক জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষ আইনের তোয়াক্কা না করে প্রতিষ্ঠান লে-অফ করা ছাড়াই ১৪০ জন সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ছাঁটাইয়ের নোটিশ দিয়েছে।
আগামী ৭২ ঘন্টার মধ্যে ছাঁটাই ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রতাহার ও পত্রিকা চালু করা না হলে, বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ ঘোষণা দেন।