শিরোনাম

ঢাকা, ৩ জুন, ২০২৬ (বাসস) : বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় চায় এ মন্ত্রণালয় থেকে গবেষণার কাজে অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকগণ এমন কিছু কাজ করুক যার ফলাফল মানুষকে স্পর্শ করে, মানুষের জীবনমানে ইতিবাচকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
আজ বুধবার ঢাকায় বিসিএসআরআই ক্যাম্পাসে অবস্থিত বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস্ (বিআরআইসিএম) মিলনায়তনে ‘বিশেষ গবেষণা অনুদানপ্রাপ্ত প্রকল্প ফলাফল ও প্রয়োগ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সচিব এসব কথা বলেন।
সচিব বলেন, এখানে ১৮ কোটি মানুষের বাজার আছে। এখানে গবেষণার যথেষ্ট সুযোগ আছে। গবেষণার বিষয় নির্ধারণ করতে হবে সামাজিক প্রেক্ষাপটকে বিবেচনা করে এবং গবেষণা সেক্টর স্পেসিফিক হতে হবে। তিনি বলেন, গবেষণায় এমন কিছু কাজ হোক যার ফলাফল মানুষের কাছে পোঁছাতে পারি, গবেষণা যেন দৃশ্যমান হয়।
মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা চাই গবেষণালব্ধ জ্ঞান যেন পরবর্তী ধাপে বাজারজাত করতে পারি। গবেষণার সাথে বাজারের একটা সংযোগ তৈরি করাটা এক্ষেত্রে জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিআরআইসিএম-এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. ইফতেখার আহমেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ বায়োটেকনোলজি এর মহাপরিচালক ড. মো. সগির আহমেদ, বিসিএসআইআর এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ, আইসিডিডিআরবি এর নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ।
সেমিনারে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় হতে বিশেষ গবেষণায় অনুদানপ্রাপ্ত গবেষকগণের মধ্য হতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ও গবেষক ড. মো. আব্দুল করিম, বুয়েটের অধ্যাপক ও গবেষক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল বাসিথ, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গবেষক প্রফেসর ড. মো. ফারুক হাসান প্রমুখ তাঁদের সেমিনার পেপার/গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে বিশেষ গবেষণা ক্ষেত্রে অনুদানপ্রাপ্ত বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকগণ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের গবেষকগণ ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।