শিরোনাম

খুলনা, ১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : বীর মুক্তিযোদ্ধা ও খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি বলেছেন, বাংলাদেশ যতবার সংকটে পতিত হয়েছে, একজন মেজর জিয়া ততবার জীবন বাজি রেখে দেশের মুক্তির জন্য, স্বাধীনতার জন্য এবং দেশ পুনর্গঠনের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছেন।
সততা, সাহস, দেশপ্রেম ও দুরদর্শিতায় সমসাময়িক অন্য যে কোনো রাষ্ট্রনায়কের চাইতে তিনি বহুদূর অগ্রসর ছিলেন। ক্রান্তিকালের কান্ডারী মেজর জিয়াউর রহমান যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে শুধু নতুন রূপই দেননি, আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও তার কূটনৈতিক তৎপরতার কারিশমায় দেশের ভাবমূর্তিকে উজ্জল করেছেন।
স্বাধীনতার মহান ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্র ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে সাবেক ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ সমন্বয় পরিষদ খুলনা আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
আজ সোমবার বেলা ১১ টায় খুলনা প্রেসক্লাবের আলহাজ লিয়াকত আলী মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ও বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রবর্তনে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা’ শীর্ষক এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক ভিপি মো. তারিকুল ইসলাম জহির।
মনিরুজ্জামান মনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমানের মর্মান্তিক মৃত্যুর শোককে বুকে ধারণ করে তার সহধর্মীনি বেগম খালেদা জিয়া একজন সামান্য গৃহবধূ থেকে একজন অসামান্য দেশপ্রেমিক ও দৃঢ়চেতা আপোসহীন দেশনেত্রী হিসেবে রাজনীতির অঙ্গনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।
আজ তাদের সন্তান তারেক রহমান দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। তিনি অতীতের মতো এখনো জিয়া পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে দেশ পুনর্গঠনে সহযোগিতা করার জন্য বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান।
সরকারি সুন্দরবন কলেজ ও সরকারি সিটি কলেজের সাবেক দুই ভিপি মোল্লা মারুফ রশিদ ও আসাদুজ্জামান মুরাদের পরিচালনায় আলোচনায় অংশ নেন অ্যাডভাকেট ফজলে হালিম লিটন, আরিফুজ্জামান অপু, আরিফ ইমতিয়াজ খান তুহিন, সারাফাত আলী দুলু, জাবেদ এলাহী, মাহবুব হাসান পিয়ারু, মো: মহিউদ্দিন, আব্দুল আজিজ, মাসুদ আলম শামীম, সোহেল মাহমুদ, খন্দকার হাসিনুল ইসলাম নিক, এহতেশামুল হক শাওন, শরিফুল ইসলাম বাবু, সালাহউদ্দিন আহমেদ, মাসুদুর রহমান, রবিউল ইসলাম বিপ্লব, জসিমউদ্দিন লাবু প্রমুখ।
আলোচনা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণঅভূত্থান, চব্বিশের গণআন্দোলনসহ ফ্যাসিবাদী দু:শাসনের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নিহত সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত, আহত ও অসুস্থদের সুস্থতা এবং দেশ-জাতির কল্যাণ ও মঙ্গল কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।