শিরোনাম

ঢাকা, ১ জুন, ২০২৬ (বাসস): কোরবানির পশুর হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে রাজধানীর তেজগাঁও পলিটেকনিক খেলার মাঠ ও তৎসংলগ্ন সড়ক ডিভাইডারে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
আজ (সোমবার) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে প্রশাসক বলেন, কোরবানির পশুর হাটের কারণে উত্তরার মেট্রোরেল এলাকার কিছু গাছপালা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও নতুন করে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে এলাকাটিকে আগের চেয়ে আরও সবুজ, সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে রূপান্তর করা হয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, সরকার ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে মেট্রোরেল এলাকার পরিবেশ নিয়ে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকৃত অবস্থা দেখতে সাংবাদিকদের সরেজমিন পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়ে তিনি জনগণের মাঝে সঠিক ও সত্য তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ জানান।
মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, কোরবানি-পরবর্তী সময়ে নাগরিকদের ভালো ও ইতিবাচক কাজে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। ‘ক্লিন অ্যান্ড গ্রিন ঢাকা’ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তেজগাঁও পলিটেকনিক মাঠে এ কর্মসূচির সূচনা করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে ডিএনসিসির শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ উদ্যোগে সহযোগিতা করায় তেজগাঁও পলিটেকনিক পশুর হাটের ইজারাদার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ঈদ-পরবর্তী ৭২ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার পরও ইজারা দেওয়া পশুর হাটগুলোতে বর্জ্য ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণ কার্যক্রম চলছে।
তিনি আরও জানান, বিভিন্ন হাট পরিদর্শন করে দেখা গেছে অনেক স্থানে ইতোমধ্যে বর্জ্য ও অবকাঠামো অপসারণ সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট স্থানগুলোতেও কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইজারাদাররা দায়িত্ব অনুযায়ী বর্জ্য ও বাঁশের ফ্রেম অপসারণের কাজ করছেন। তবে কোনো ইজারাদার দায়িত্ব পালনে গাফিলতি করলে আইন অনুযায়ী তাদের জামানত থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নগর উন্নয়ন, নগর পরিকল্পনা এবং কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে তথ্য ও সংবাদ দিয়ে সহযোগিতা করায় সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানান ডিএনসিসি প্রশাসক।
তিনি আরও বলেন, নগরবাসী ও গণমাধ্যমের সহযোগিতায় কোরবানি-পরবর্তী সময়ে রাজধানীর অলিগলি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রতিদিনের গৃহস্থালির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে।