শিরোনাম

বাগেরহাট, ৩১ মে, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের(ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাষ্ট্রচিন্তা, দেশপ্রেম, সততা, কর্মনিষ্ঠা ও নেতৃত্বগুণ আজও দেশের তরুণ সমাজকে অনুপ্রাণিত করে।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া জনগণের অংশগ্রহণমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক ও আত্মমর্যাদাশীল বাংলাদেশ গঠনের ক্ষেত্রে তাঁর আদর্শ ও দর্শন নতুন প্রজন্মের জন্য পথপ্রদর্শক হয়ে থাকবে।
আজ রোববার বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা বিএনপি আয়োজিত শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের (বীর উত্তম) ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। এ সময় গরিব, অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
অধ্যাপক ওবায়দুল ইসলাম শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, ‘শহীদ জিয়া ছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের স্থপতি, একজন দূরদর্শী রাষ্ট্রনায়ক এবং জাতীয় সংকটের মুহূর্তে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক। স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া থেকে শুরু করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকবে।’
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিক্ষা সম্পাদক ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে দেশের কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, খাল খনন কর্মসূচি, জনশক্তি রপ্তানি, বেসরকারি খাতের বিকাশ এবং আত্মনির্ভরশীল অর্থনীতি গঠনে তাঁর নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগ দেশের উন্নয়নের ভিত্তি সুদৃঢ় করেছিল।
কচুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরদার জাহিদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপি নেতা খান মনিরুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এস এম তৌহিদুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মোল্লা আব্দুল গাফফার, কৃষকদল সভাপতি আল মামুন মুক্তি, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সরদার নাহিদসহ উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনে তাঁর অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে আজও স্মরণ করে।