শিরোনাম

ঢাকা, ১০ মে, ২০২৬ (বাসস): দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয় দিবসের ৮১তম বার্ষিকী উদযাপন করেছে ঢাকাস্থ রাশিয়ার দূতাবাস। ‘গ্রেট প্যাট্রিয়টিক ওয়ার’ স্মরণে শনিবার দূতাবাস প্রাঙ্গণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও মোটরসাইকেল র্যালিসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ে অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।
আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনুষ্ঠানে কূটনীতিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাশিয়ান কমিউনিটির সদস্য এবং সাবেক সোভিয়েত ও রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশি গ্র্যাজুয়েটরা অংশ নেন।
দূতাবাস স্কুলের শিক্ষার্থীরা দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে বিশেষ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে। এটি উৎসর্গ করা হয় যুদ্ধকালীন প্রজন্মকে।
বাংলাদেশে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার খোজিন সে দেশের ইতিহাসের প্রতি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা এবং কয়েক মাস ধরে পরিবেশনার প্রস্তুতিতে তাদের নিষ্ঠার জন্য ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে ‘ক্যান্ডেল অব মেমরি’ এবং ‘গার্ডেন অব মেমরি’র মতো দেশপ্রেমিকদের স্মরণে বিভিন্ন আয়োজন ছিল।
এসব অনুষ্ঠান দূতাবাসের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে।
যোদ্ধাদের সম্মান জানাতে দূতাবাসের কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা ‘ইমমর্টাল রেজিমেন্ট’ প্রদর্শনী আয়োজন করেন। এতে অংশগ্রহণকারীরা যুদ্ধ-সম্পর্কিত পারিবারিক গল্পগুলো তুলে ধরেন।
উদযাপনের অংশ হিসেবে গুলশানের রাস্তায় মোটরসাইকেল ও গাড়ির র্যালির আয়োজন করা হয়। এতে দূতাবাসের কর্মকর্তা, রাশিয়ান হাউসের সদস্য, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রবাসী রুশ নাগরিক এবং সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
অন্যদের মধ্যে রাষ্ট্রদূত খোজিন, রাশিয়ান হাউসের পরিচালক আলেক্সান্দ্রে খলেভনয়, কমপ্যাট্রিয়টস অ্যাসোসিয়েশন ‘রদিনা’র চেয়ারপারসন এলেনা বাস, সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান মিজানুর রহমান এবং লিবারেশন ওয়ার অ্যাকাডেমি ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আবুল আজাদ অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
দূতাবাস জানিয়েছে, মোটরসাইকেল র্যালি ঢাকায় একটি অনন্য বার্ষিক আয়োজনে পরিণত হয়েছে। এ আয়োজনে রাশিয়ার ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী মানুষরা একত্রিত হন এবং ১৯৪৫ সালে নাৎসি জার্মানির পরাজয়ে অবদান রাখা ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।