শিরোনাম

ঢাকা, ২৭ মার্চ, ২০২৬ (বাসস): কানাডার টরন্টোতে যথাযোগ্য মর্যাদা, উৎসাহ ও আনন্দঘন পরিবেশে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি ও এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে, যেখানে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ হাউস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। কনসাল জেনারেল মো. শাহ আলম খোকন পতাকা উত্তোলন করেন। পরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
পরবর্তীতে একটি স্থানীয় সম্মেলন কেন্দ্রে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে গ্রেটার টরন্টো এরিয়া ও আশপাশের অঞ্চল থেকে আগত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে কনসাল জেনারেল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মত্যাগকারী শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং নারীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান এবং গণতন্ত্রের সংগ্রামে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন।
তিনি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করে একটি আধুনিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করেন।
বাংলাদেশ-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রসঙ্গে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এ সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ‘কমিউনিটি ফার্স্ট’ নীতির আওতায় কনস্যুলেটের গৃহীত জনবান্ধব সেবা কার্যক্রম ও প্রবাসী সম্পৃক্ততা উদ্যোগগুলোর কথাও তুলে ধরেন।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন কামনা করেন এবং বৈশ্বিক শান্তি, সহযোগিতা ও টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, কেক কাটা এবং ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশি খাবারের আয়োজন ছিল।
স্বাধীনতার ৫৬ তম বার্ষিকী উপলক্ষে আগামী ২ এপ্রিল টরন্টোতে কনস্যুলার কোরের সম্মানে আরও একটি সংবর্ধনা আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।