শিরোনাম

বরিশাল, ১৪ ফেব্রুয়রি ২০২৬ (বাসস) : বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে ফুল উপহার দিতে বরিশাল শহরের ফুলের দোকানগুলোতে ভিড় করছেন তরুণ তরুণীসহ নানা বয়সের মানুষ। বিশেষ এ দিনটিতে কদর বেড়েছে ফুলের রানি গোলাপসহ নানান ফুলের।
বাংলা বর্ষপঞ্জির হিসাব অনুযায়ী আজ ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন ‘পহেলা ফাল্গুন’ ‘ভ্যালেনটাইনস ডে’ তথা বিশ্ব ভালোবাসা দিবস।
এই দুু’ই উৎসবকে ঘিরে নারী, পুরুষ ও বিভিন্ন বয়সের মানুষ প্রিয়জনকে ফুল উপহার দিতে ফুলের দোকানগুলোতে এসেছেন। কেউ প্রিয়জনকে সাথে নিয়ে, কেউবা আবার পরিবার নিয়ে এসেছেন ফুল কিনতে।
দোকানিরাও দেশি বিদেশি নানান ফুলের পরসা সাজিয়ে বসেছেন। বেচা বিক্রিও জমেছে। তবে এবছরও ফুলের দাম চড়া বলছেন ক্রেতা বিক্রেতারা।
ফুল কিনতে আসা আফরোজা বলেন, ভালোবাসা শুধু যে প্রমিক প্রেমিকা তা নয়, ভালোবাসা মা-বাবাসহ পরিবারের সকলের জন্য। বাবার কাছ থেকে ফুল পেয়ে নিজের কাছে খুব আনন্দ লাগছে।
সোনিয়া নামে আরেক জন বলেন, আজ যেমন বসন্ত তেমনি ভালোবাসা দিবস। আজকের দিনটি প্রিয়জনকে নিয়ে সুন্দর একটি সময় কাটাতে চাই। পাশাপাশি সকলের প্রতি ভালোবাসা থাকবে সব সময়ই।
গাজী ফুল ঘরের ব্যাবসায়ী মুজাহার গাজী বলেন, এবছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন দিবসে ফুল বেচা কেনা বেড়েছে। বসন্ত আর ভালোবাসা দিবসে নানান ফুল সরবরাহ করা হয়েছে। তবে দাম আগের তুলনায় বেশি হলেও বেচা কেনা ভালো।
জেমি কর্নার ফুলের দোকান ব্যাবসায়ী তাওসিফ রহমান বলেন, ফুলের দাম বেড়েছে। যেহেতু নির্বাচনের সময় বেশ কয়েকদিন গাড়ি আসেনি। এগুলো আগে নিয়ে আসতে যাতায়াত খরচ বেশি হওয়ায় দাম কিছুটা বেশি।
ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে বেড়েছে গোলাপ ফুলের কেনাবেচা। পাইকারি বাজার থেকে ফুল ক্রয় করে নিয়ে এসেছেন খুচরো ফুল বিক্রেতারা। এসব ফুলের মধ্যে রয়েছে গোলাপ, গাঁদা, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাস, জারবেরা, রথস্টিক, জিপসি, গ্যালেনডোলা, চন্দ্রমল্লিকা, বোথাম, সূর্যমূখী ইত্যাদি।
বরিশালের ফুলের দোকানগুলোতে বর্তমানে ভালো মানের গোলাপ ফুল এখন ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া রজনীগন্ধার স্টিক মানভেদে ৫০ টাকা, প্রতিটি গাঁদার মালা ১২০ টাকা, জারবেরা ফুল ৫০ টাকা, অর্কিড স্টিক ৮০ টাকা, সূর্যমুখী ফুল প্রতিটি ২০০ টাকা, গ্লাডিওলাস রংভেদে বিভিন্ন দামে বিক্রি হচ্ছে।
ফুল কিনতে আসা ক্রেতারা বলছেন, ভালোবাসা দিবসটি তারা প্রিয়জনের সাথে কাটাতে চান। পাশাপাশি বসন্তকে উপভোগ করতে চান।
আর বেচাবিক্রি ভালো হওয়ায় সন্তুষ্ট বিক্রেতারা বলছেন এই দিবসগুলোর পাশাপাশি নির্বাচন শেষ হওয়ায় তাদের ফুলের কদর বেড়ছে।