শিরোনাম

ঠাকুরগাঁও, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : বিএনপি মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা নির্বাচনের প্রচারে লক্ষ্য করেছি ব্যপকভাবে মানুষের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে উৎসাহ-উদ্দীপনা কাজ করছে। বিশেষ করে, মহিলাদের মধ্যে এই আগ্রহ অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক। মানুষ গত ১৫/১৬ বছর ভোট দিতে পারেননি। তাই এই নির্বাচন তাদের আশা আকাঙ্খার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় তাঁর নিজ বাসভবনে নির্বাচনের প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, বিগত বছরগুলোতে নির্বাচন নিয়ে এতো কারচুপি হয়েছে, এতো বেশি ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং হয়েছে যে এই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে কি-না তা নিয়ে মানুষের মনে উদ্বেগ ও সন্দেহ থেকে গেছে। এ প্রশ্ন তাদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই আসছে যে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনটা ঠিকঠাকভাবে হবে কি-না। তবে আমি যতটা দেখেছি প্রথম দিকের দু’একটা ঘটনার পরে সবাই সংযত হয়েছেন এবং পরিবেশটা ভালোই বলতে হবে। এবার সার্বিকভাবে যে পরিস্থিতি দেখছি তাতে করে ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সম্ভাবনা আমি তেমন দেখছি না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই নির্বাচনের কাছে আমাদের প্রত্যাশা, এই নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে। রাষ্ট্র ও সমাজের সবক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক চর্চা নতুন করে শুরু হবে।
এ সময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনি সফরকে অত্যন্ত ফলপ্রসু উল্লেখ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তাঁর এসব সফর ও বাণী বিএনপি’র রাজনীতিকে অনেক দূর পর্যন্ত এগিয়ে নিতে পারবে।
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে সেটা কোনো কাজে দেবে না বলে উল্লেখ করে বলেন, মানুষের প্রতি আমাদের আস্থা আছে। তারা বোকা নন। তারা ভাবনা চিন্তা করেই সঠিকটা বেছে নেবেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা যারা ইতিবাচক রাজনীতি করি তারা জনসাধারণের মধ্যে ঘুরে ঘুরে এই প্রচার করেছি যে আপনারা যাকে খুশি তাকে ভোট দেন। এটা আপনার অধিকার তবে, হিন্দু মুসলমান সবাই মিলে দল বেঁধে ভোট দিতে যান। প্রশাসনও সেটাই বলছে, আমরা আশাবাদী সবাই ভোট দিতে যাবেন।
এ সময় জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, আল মামুন, তারিখ আদনানসহ বিএনপি নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।