বাসস
  ২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯:১০

সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জামায়াতের 

ছবি: বাসস

ঢাকা, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরাপদ নির্বাচন নিশ্চিত করতে দেশের সব ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। 

আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের। 

তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা সব কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়েছিলাম। কমিশন এ বিষয়ে সার্কুলার জারি করলেও বাস্তবে তা এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। যেসব কেন্দ্রে ক্যামেরা বসানো হয়েছে, তার সংখ্যাও অপ্রতুল এবং অর্ধেকেরও কম। এছাড়া অনেক ক্ষেত্রে ক্যামেরা কেন্দ্রের বাইরের দিকে মুখ করে রাখা হয়েছে। যার মাধ্যমে ভেতরের অনিয়ম বা দুষ্কৃতকারীদের কর্মকাণ্ড রেকর্ড করা সম্ভব হবে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কমিশনকে স্পষ্ট বলেছি, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এবং দুষ্কৃতিকারীদের চিহ্নিত করতে কেন্দ্রের ভেতরেও কার্যকর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে। এ বিষয়ে কমিশন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।’

নির্বাচনে জামায়াত কেন নারী প্রার্থী দেয়নি-এমন প্রশ্নের জবাবে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘আমাদের দলের একদম তৃণমূল থেকে শুরু করে শীর্ষ পর্যায় পর্যন্ত নারী নেতৃত্ব ৪০ শতাংশের বেশি। এমনকি আমাদের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম বা কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরাতেও ৪০ শতাংশ নারী সদস্য রয়েছেন।’

প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের ভোট পাঠানোর সময়সীমা নিয়ে কিছুটা অস্পষ্টতা ছিল। প্রবাসীরা জানতেন যে ২৫ জানুয়ারি ভোট পাঠানোর শেষ সময়। কমিশন আমাদের জানিয়েছে, আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়ে পোস্ট করা হলে তা ১২ ফেব্রুয়ারি ভোট গণনার আগেই দেশে পৌঁছাবে এবং সেটি গ্রহণ করা হবে।’

জামায়াতের প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছে নারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির আহ্বান জানান।

বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। জামায়াতের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. অলিউল্লাহ নোমান।