শিরোনাম

ঢাকা, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস) : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক।
তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের রাজনীতির বিপক্ষের সোচ্চার কণ্ঠ, গণতন্ত্রের মানসকন্যা।
আজ সোমবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের একাডেমিক ভবনের সিনেট হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানে আয়োজিত এক স্মরণ সভায় উপাচার্য এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, একজন মানুষের জীবন কতটা আপসহীন সংগ্রামী হতে পারে, বেগম খালেদা জিয়া তার সর্বোচ্চ উদাহরণ। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ হিসেবে আমাদের সম্মান রক্ষা করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে পারলেই তাঁর প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হবে।
উপাচার্য বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন সংগ্রামী নেত্রী। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তাঁর নাম দেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ১৯৭১ সালে মেজর জিয়াউর রহমান যেমন জীবন ও পরিবারের ঝুঁকি নিয়ে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। সেই সাহসী ও সংগ্রামী বীরের সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়াও একইভাবে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছেন।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান ও প্রফেসর ড. মো. নূরুল ইসলাম এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম বক্তব্য রাখেন।
স্মরণ সভার শুরুতে বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এরপর শোক প্রস্তাব পাঠ করেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।
পরে, বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আঞ্চলিক কেন্দ্র সমন্বয় দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক নাজিম উদ্দিন আহমেদের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মোল্লা মাহফুজ আল-হোসেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিম, স্নাতকপূর্ব শিক্ষা বিষয়ক স্কুলের ভারপ্রাপ্ত ডিন প্রফেসর ড. মো. আশেক কবির চৌধুরী, ফ্যাকাল্টি অব ন্যাচারাল সায়েন্সেস অ্যান্ড টেকনোলজি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ফকির রফিকুল আলম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা মো. আকরাম হোসেন, মাসুদুর রহমান প্রমুখ।
এছাড়া স্মরণ সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক এবং কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।