শিরোনাম

ঢাকা, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): দেশের প্রাণিসম্পদ খাত-সংশ্লিষ্ট পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন অ্যানিমেল হেলথ কোম্পানিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আহকাব) এর আয়োজনে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘ষষ্ঠ আহকাব আন্তর্জাতিক এক্সপো’ শীর্ষক প্রাণিস্বাস্থ্য প্রদর্শনী।
বাংলাদেশের প্রাণিস্বাস্থ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উদ্ভাবন এবং বিনিয়োগ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যেই এই আয়োজন। ‘সুস্থ প্রাণী, সমৃদ্ধ জাতি’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকার পূর্বাচল এক্সপ্রেস হাইওয়ে সংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে।
৮ জানুয়ারি বেলা ৩টায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। এই প্রদর্শনীতে চীন ও সিঙ্গাপুর-সহ ১৪ টি দেশ অংশগ্রহণ করছে।
আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের ‘তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে’ এক সংবাদ সম্মেলনে এক্সপোর বিস্তারিত তুলে ধরেন আয়োজকরা। সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আহকাবের সভাপতি সায়েম উল হক, সেক্রেটারি মো. আনোয়ার হোসেন, ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্টস ফোরামের (এফএলজেএফ) সভাপতি মুন্না রায়হান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এবারের মেলায় চীন, ভারত, মিশর, রোমানিয়া, তুরস্ক ও ভিয়েতনাম, সিঙ্গাপুরসহ ১৪টি দেশের ১২৮টি বিদেশি স্টল ও ৬৫ জন আন্তর্জাতিক প্রদর্শক অংশ নেবেন। পাশাপাশি দেশের শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানও মেলায় অংশ নেবে।
আহকাবের সভাপতি সায়েমুল হক বলেন, ২০০৩ সালে ১৮টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে আহকাবের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে সংগঠনটির তালিকাভুক্ত সদস্য সংখ্যা প্রায় ৮০০ এবং এর মধ্যে ৪০০-এর বেশি সদস্য সক্রিয়ভাবে কার্যক্রমে যুক্ত। আহকাবের প্রায় অধিকাংশ সদস্যই এবারের মেলায় অংশ নেবে।
তিনি আরও বলেন, এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে প্রান্তিক খামারীরা খামার সম্পর্কে উন্নত ধারণা লাভ করতে পারবেন। খামারীরা খামার পরিচালনার জন্য নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচয় ঘটাতে পারবেন। এর মাধ্যমে খামারীরা আন্তর্জাতিক মানের অভিজ্ঞদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে লাভবান হওয়ার সুযোগ আছে। প্রান্তিক খামারীদের জন্য এটি বড় সুযোগ।
সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বলেন, প্রতি দুই বছর পরপর আয়োজিত এ প্রদর্শনী দেশের প্রাণিস্বাস্থ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো এখানে তাদের পণ্যের প্রচারণা চালানোর পাশাপাশি বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন বিনিময়ের সুযোগ পাচ্ছে।