শিরোনাম

নরসিংদী, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ (বাসস): বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের সংকটকালে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বের ফলেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েই ক্ষান্ত হননি, তিনি দেশের মানুষকে ভালোবেসে সম্মুখ সারিতে থেকে যুদ্ধ করেছেন। তিনি জেড ফোর্সের প্রধান ছিলেন এবং তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত হন।’
আজ বিকেলে জেলার পলাশ উপজেলাধীন বিআইডিসি বাসস্ট্যান্ডে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পলাশ উপজেলা বিএনপি আয়োজিত দোয়া ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঈন খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সেক্টর কমান্ডার হিসেবে শত্রুর বিরুদ্ধে জয় লাভ করে দেশে ফিরে এসেই জিয়াউর রহমান একজন সৈনিক হিসেবে দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন।
ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ দেশে স্বৈরতন্ত্র কায়েম করেছিল এবং একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা চালু করেছিল। এই বাকশালের বিরুদ্ধে সারা দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিল। কারণ এ দেশের মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য, একনায়কতন্ত্র বা বাকশাল দেখার জন্য নয়। জিয়াউর রহমান দেশের সংকটকালে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং তার নেতৃত্বের ফলেই দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি এবং তার যোগ্য উত্তরসূরি তারেক রহমান পুনরায় দেশে কোনো স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হতে দেবে না।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পলাশ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর সাত্তার, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
আলোচনা সভায় বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ এবং বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। পরে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।