শিরোনাম

ঢাকা, ১ এপ্রিল, ২০২৬ (বাসস) : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস কূটনৈতিক অভ্যর্থনা ও নৈশভোজের আয়োজন করেছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ইসলামাবাদের সেরিনা হোটেলের বলরুমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান ও হাইকমিশনের কর্মকর্তাগণ অতিথিদের স্বাগত জানান।
বাংলাদেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, পর্যটন ও কৃষ্টি তুলে ধরে অনুষ্ঠানস্থলকে ব্যানার, স্ট্যান্ডিজ, লোকজ শিল্পপণ্য, ফুল ও আলোকসজ্জায় সুসজ্জিত করা হয়।
পাকিস্তান সরকারের পক্ষে জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও গবেষণা বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী রানা তানভীর হুসেন প্রধান অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
এছাড়া, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের গভর্নর, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক ফেডারেল মন্ত্রী, ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার, সিনেটর, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানগণ, পাকিস্তান সরকারের বেসামরিক ও সামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব এবং প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান তার স্বাগত বক্তব্যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদারে উভয় দেশের জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি বিমান ও জাহাজ চলাচল, ব্যবসা-বাণিজ্য উন্নয়ন, শিক্ষা, পর্যটন, সংস্কৃতি, শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও জ্বালানি খাতে সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশ সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার দেশের উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে তৎপর রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি সবার সমর্থন চেয়েছেন।
প্রধান অতিথি রানা তানভীর হুসেন তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে পাকিস্তান সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সরকার ও জনগণকে অভিনন্দন জানান।
তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের ঐতিহাসিক ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করে দুই দেশের মানুষের উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।