শিরোনাম

ঢাকা, ১৭ মে, ২০২৬ (বাসস) : সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেছেন, আমাদের হারিয়ে প্রাচীন গ্রন্থ, পাণ্ডুলিপি ও সাংস্কৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকর ও জনমুখী করে গড়ে তুলতে হবে।
আজ যশোরের জেলা শিল্পকলা একাডেমি ও ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরি পরিদর্শন শেষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এর আগে, নিতাই রায় চৌধুরী যশোরের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
পরিদর্শনকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী প্রতিষ্ঠান দুটির চলমান কার্যক্রম, অবকাঠামোগত অবস্থা ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। বিশেষ করে, যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত প্রাচীন ও দুষ্প্রাপ্য পুঁথি, পা-ুলিপি ও গ্রন্থসম্ভার পরিদর্শন করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
এ সময় তিনি এগুলোকে জাতির ইতিহাস ও জ্ঞানচর্চার অমূল্য সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন।
পরে স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, সুধীজন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।
সভায় বক্তারা প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাবনা, সীমাবদ্ধতা ও বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন।
এ সময় তারা সাংস্কৃতিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, আধুনিকায়ন ও ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকারের কার্যকর সহায়তা কামনা করেন।
যশোর বাংলাদেশের শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক সমৃদ্ধ জনপদ। এ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কেবল স্থানীয় নয়, এটি জাতীয় গৌরবের অংশ। এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ, বিকাশ ও বিশ্বপরিসরে তুলে ধরতে সরকার কাজ করছে।
মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ নিরসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস প্রদান করেন।
একই সঙ্গে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দুষ্প্রাপ্য সংগ্রহ সংরক্ষণ ও সাংস্কৃতিক কর্মকা- সম্প্রসারণে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
মতবিনিময় সভায় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা শিল্পকলা একাডেমির কর্মকর্তা, যশোর ইনস্টিটিউট পাবলিক লাইব্রেরির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও স্থানীয় সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।