শিরোনাম

রংপুর, ২০ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : রংপুরের বদরগঞ্জ ও তারাগঞ্জে বাসের ধাক্কায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরো ৩ জন। তারাগঞ্জে শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় সাজ্জাদ হোসেন (৩০) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেলে থাকা কাল্টু ও লিটন গুরুতর আহত হয়েছেন। অপরদিকে রংপুর-বদরগঞ্জ রোড়ের লাহেড়িরহাট এলাকায় বাসের ধাক্কায় শাহজামাল (২৭) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী গুরুতর আহত হয়ে রংপর মেডিকেল কলেজে ভর্তি হলে বৃহস্পতিবার দুপুরে মারা যায়।
আহত বেলাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শাহজামাল ওই এলাকার রাজু মিয়ার ছেলে বলে জানিয়েছেন থানার ওসি আনোয়ার হোসেন।
বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে বদরগঞ্জ রুটে ও বুধবার রাত ১০টার দিকে রংপুর-দিনাজপুর মহাসড়কের তারাগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের অদূরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সাজ্জাদ হোসেন তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ রাতে তারাগঞ্জ বাজার থেকে সাজ্জাদ হোসেনসহ তিনজন একটি মোটরসাইকেলে করে বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। তাঁরা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় এলাকায় পৌঁছালে ঢাকাগামী শ্যামলী পরিবহনের একটি বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাজ্জাদ হোসেনের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত হন কাল্টু ও লিটন।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন আহত দু’জনকে উদ্ধার করে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করেন।
শ্যামলী পরিবহনের ওই বাসের যাত্রী ইনসানা বেগম বলেন, তিনি সৈয়দপুরের ওয়াপদার মোড় থেকে বাসে উঠেছিলেন। ইকরচালী বাসস্ট্যান্ডে নামার কথা ছিল তাঁর। তারাগঞ্জ পার হওয়ার সময় হঠাৎ গাড়িতে প্রচণ্ড ঝাঁকি লাগে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি কোমরে ব্যথা পান। তাঁর ভাষ্য, প্রচণ্ড ঝাঁকিতে যাত্রীরা আসন থেকে পড়ে যান।
তারাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘শ্যামলী পরিবহনের ধাক্কায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে সাজ্জাদ নামের একজন নিহত হয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর লাশ নিয়ে গেছেন। বাসটি জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। তবে দুর্ঘটনার কারণ ও বাসটির চালকের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।