শিরোনাম

খুলনা, ২১ জুন, ২০২৬ (বাসস) : খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, পাম্প হাউস স্থাপন না হওয়া পর্যন্ত জোয়ারের পানি নগরীতে প্রবেশ রোধে নষ্ট হয়ে যাওয়া স্লুইসগেটগুলো সংস্কার করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, জোয়ারের সময় নদীতে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে বাধা সৃষ্টি হওয়ায় নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্লুইসগেট অকার্যকর হয়ে পড়ায় জোয়ারের পানি শহরে প্রবেশ করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ রোববার রূপসা স্লুইসগেট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। জোয়ারের সময় অতিবৃষ্টিজনিত জলাবদ্ধতা নিরসনে তাৎক্ষণিক করণীয় নির্ধারণে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে স্লুইসগেট এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
কেসিসি প্রশাসক বলেন, জমে থাকা বৃষ্টির পানি দ্রুত অপসারণের লক্ষ্যে পাম্প হাউস নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এর আগে পাঁচবার দরপত্র আহ্বান করা হলেও কারিগরি কারণে তা বাতিল করতে হয়েছে। তবে চলমান ড্রেনেজ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শেষ হলে নগরবাসী এর সুফল পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নগর ভবনের শহীদ আলতাফ মিলনায়তনে কনজারভেন্সি বিভাগের ৩১টি ওয়ার্ডের সুপারভাইজারদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন কেসিসি প্রশাসক। মহানগরীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় তিনি পরিদর্শনকালে চিহ্নিত বিভিন্ন অসঙ্গতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সুপারভাইজারদের কাছে ব্যাখ্যা চান এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে কোনো ধরনের গাফিলতি প্রমাণিত হলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, সড়কের ওপর পণ্য ও নির্মাণসামগ্রী রেখে জনসাধারণের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে কোনো ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করতে দেওয়া হবে না। এ ধরনের ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে প্রাথমিকভাবে নোটিশ জারির জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেসিসির সচিব মো. রেজা রশীদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাসুদ করিম, সাবেক কাউন্সিলর মো. মাহবুব কায়সার, সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার, খান হাবিবুর রহমানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।