বাসস
  ২১ মে ২০২৬, ১৪:৫৩

নড়াইলে লটারির মাধ্যমে ধান সংগ্রহে ৮১২ জন কৃষক নির্বাচিত

আজ সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই লটারির আয়োজন করা হয়। ছবি: বাসস

নড়াইল, ২১ মে ২০২৬ (বাসস) : জেলার সদর উপজেলায় অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ-২০২৬ উপলক্ষে স্বচ্ছতা নিশ্চিতে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা খাদ্য বিভাগের আয়োজনে উন্মুক্ত লটারির মাধ্যমে ৮১২ জন কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এই লটারির আয়োজন করা হয়। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা টি.এম. রাহসিন কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খোন্দকার তাজউদ্দিন আহমেদ, সদর উপজেলা গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসান কবীর, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান, পুলিশ পরিদর্শক মো. আকরাম হোসাইন, নড়াইল-১ আসনের এমপির প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট মাহবুব মোর্শেদ জাপল, নড়াইল-২ আসনের এমপির প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল আমীন, নড়াইল প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সুলতান মাহমুদসহ খাদ্য বিভাগ, বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তালিকাভুক্ত কৃষকদের নিয়ে এই লটারি সম্পন্ন হয়।

সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক খোন্দকার তাজউদ্দিন আহমেদ জানান, চলতি মৌসুমে নড়াইল সদর উপজেলায় বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৪শত ৩০ মেট্রিক টন। সরকারিভাবে ধান বিক্রির জন্য উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার মোট ১১হাজার ৭৫২ জন কৃষক আবেদন করেছিলেন। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত ৮১২ জন কৃষকের কাছ থেকে জনপ্রতি সর্বোচ্চ ৩ মেট্রিক টন করে ধান সংগ্রহ করা হবে। প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি খাদ্য গুদামে নির্বাচিত কৃষকরা ধান বিক্রি করতে পারবেন। এছাড়া তালিকাভুক্ত ১৯ জন মিল মালিকের কাছ থেকে ২ হাজার ৫১২ মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল কেনা হবে। প্রতিকেজি  সেদ্ধ চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯ টাকা। প্রতিকেজি ৪৮ টাকা দরে ২শত কেজি আতপ চাল কেনা হবে। সংগ্রহ অভিযান চলবে চলতি বছরের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

নড়াইল সদর উপজেলা গোডাউনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আহসান কবীর বলেন, লটারির মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করায় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি বা মধ্যস্বত্বভোগীদের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই। স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চলতি মৌসুমের বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হবে। প্রকৃত কৃষকরা ন্যায্য মূল্যে তাদের উৎপাদিত ধান ও মিল মালিকরা চাল সরকারি গোডাউনে এসে সরাসরি বিক্রি করতে পারবেন।