শিরোনাম

খুলনা, ২৯ মার্চ ২০২৬ (বাসস) : খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনাকে একটি পরিচ্ছন্ন শহরে পরিণত করতে হবে। একইসাথে সবুজায়নও করতে হবে। কারণ পরিচ্ছন্নতার সাথেই মশা ও মশাবাহিত রোগগুলো সম্পৃক্ত। এ লক্ষ্য নিয়েই কাজ শুরু করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্নতার অন্তরায়সমূহ চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। চিহ্নিত অন্তরায়সমূহ দূর করতে না পারলে জলাবদ্ধতাও দূর করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
আজ রোববার নগর ভবনের জি আই জেড মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘খুলনা সিটি কর্পোরেশনে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবিতা’ শীর্ষক সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি বছরে সারা দেশে পাঁচ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছেন। খুলনা মহানগরীকে সবুজায়ন করতেও এ উদ্যোগের সাথে ব্যাপকহারে বৃক্ষরোপণ করা হবে। শীঘ্রই ‘কেমন খুলনা চাই’-বিষয়ে নাগরিক প্রতিনিধি, শিক্ষক ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিসহ সকলের সুচিন্তিত মতামত গ্রহণ করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হবে।
‘খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চ’ বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসংক্রান্ত এই ধারণাপত্রটি তৈরি করেছে। পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের পক্ষ থেকে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ধারণা পত্রটি উপস্থাপন করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. ওয়াসিউল ইসলাম।
সভায় জানানো হয় পানি, বাতাস, শব্দ ও পলিথিন দূষণ, সর্বোপরি পরিবেশ দূষণের সাথে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পৃক্ত। পলিথিনের কারণে ড্রেনগুলি বন্ধ হচ্ছে। ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে।
মহানগরীতে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে পরিবেশগত সচেতনতা তৈরি করতে জোর দেওয়া হয়।
এছাড়া নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে দূষণ অনেকাংশে কমানো সম্ভব বলে জানানো হয়। সভায় ধারণা পত্রটি বাস্তবায়নে ২৭ নং ওয়ার্ডকে পাইলট ওয়ার্ড হিসেবে মনোনীত করা হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, উন্নয়ন কর্মী এম নাজমুল আজম ডেভিড, পরিবেশ কর্মী শরিফুল ইসলাম সেলিম, পরিবর্তন-খুলনার সমন্বয়কারী শাহালা হাবিবি, কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সী অফিসার প্রকৌশলী মো. আনিসুর রহমানসহ প্রমুখ।