শিরোনাম
ঢাকা, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেছেন, জ্ঞান, সংলাপ ও উচ্চশিক্ষার মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
আজ মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে 'হোয়াট ওয়ার্ক্স ইন কাউন্টারিং ভায়োলেন্ট এক্সট্রিমিসম: টুওয়ার্ডস হিউম্যান সেন্ট্রিক অ্যান্ড এভিডেন্স বেসড পলিসিজ' শীর্ষক দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের হিট প্রজেক্টের আওতায় বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি পলিসি ল্যাব এই সম্মেলন আয়োজন করে।
হিট প্রজেক্টের সদস্য ড. ইভা সাদিয়া সা’দ-এর সভাপতিত্বে সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক।
এর আগে সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ প্রধান অতিথি হিসেবে সম্মেলন উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ব ধর্ম ও সংস্কৃতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আবু সায়েম।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, সহিংস চরমপন্থা শুধু একটি নিরাপত্তা সমস্যা নয়, বরং এটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের অন্তরায়। শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান আমাদের সামাজিক বিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখে। আমরা তারুণ্যের শক্তি, বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং অসাধারণ বৈচিত্র্যময় বৈশিষ্ট্যপূর্ণ একটি জাতি। অন্যায়, অবিচার ও সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে আমাদের এই বৈশিষ্ট্যগুলো রক্ষা করতে হবে।
উপাচার্য বলেন, স্লোগানের পরিবর্তে সতর্ক গবেষণার ওপর ভিত্তি করে সামাজিক প্রতিক্রিয়াগুলো হওয়া উচিত। আমাদের প্রতিক্রিয়া অবশ্যই বিচক্ষণ, মানবিক এবং প্রমাণভিত্তিক হতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণ সমাজ, পরিবার, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সামাজিক সংগঠন, সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক এবং যারা ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর জোর দিতে হবে। বিপজ্জনক মতাদর্শগুলোকে আকর্ষণীয় করে তোলে-এমন কারণগুলোকে চিহ্নিত করা অপরিহার্য।