শিরোনাম

নাটোর, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : নাটোরে সাক্ষরতার হার ৭৪ শতাংশ। এসডিজি’র অভীস্ট লক্ষ্য অর্জনে ২০৩০ সালের মধ্যে নাটোরসহ সারাদেশে সাক্ষরতার হারকে শতভাগে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করছে সরকার।
আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় এ তথ্য জানানো হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোছা. সুমনী আক্তার।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, এসডিজি’র অভীস্ট লক্ষ্য অর্জনে সাক্ষরতার হারকে শতভাগে উন্নীতকরণে আমরা কাজ করে যাবো। এ ব্যাপারে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তাই সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
সভায় স্বাগত বক্তব্যে উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো নাটোর জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. রনি আহম্মেদ জানান, ২০২২ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী নাটোরে সাক্ষরতার হার ছিলো ৭১ শতাংশ। ২০২৫ সালের অর্থনৈতিক শুমারী অনুযায়ী ৭৪ শতাংশ। অর্থাৎ পর্যায়ক্রমে জেলায় সাক্ষরতার হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সহকারী পরিচালক আরো জানান, লিখতে, পড়তে, হিসাব করতে পারার পাশাপাশি ব্যক্তির পেশা সম্পর্কে মৌলিক ধারণা থাকার সক্ষমতাকে সাক্ষরতা বলা হচ্ছে। শতভাগ সাক্ষরতার অভীস্ট লক্ষ্য অর্জনে নাটোরে চলমান আছে ‘কার্যকর সাক্ষরতা ও ব্যবহারিক কর্ম দক্ষতা প্রশিক্ষণ কর্মসূচি’।
ছয় মাস মেয়াদী এই কর্মসূচিতে প্রশিক্ষণার্থীদের সাক্ষরতা জ্ঞান প্রদানের পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদার আলোকে বিভিন্ন পেশাগত দক্ষতার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে।
আগামী বছরের শুরুতে জেলার গুরুদাসপুরে চালু হতে যাচ্ছে ’অল্টারনেটিভ লার্নিং অপরট্যুনিটি’ নামে বৃহৎ সাক্ষরতা ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) জান্নাতআরা ফেরদৌস, জেলা শিক্ষা অফিসার মো. রোস্তম আলী হেলালী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. আব্দুল হান্নান প্রমুখ।