শিরোনাম

ঢাকা, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ (বাসস) : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিরাপদ খাদ্য মজুদ ও খাদ্যের গুণগত মানের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।
একই সঙ্গে যেকোনো দুর্যোগ বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে নিরবচ্ছিন্ন খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে আগাম পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত মজুদ রাখার ওপরও গুরুত্ব প্রদান করেন তিনি।
মন্ত্রী আজ খাদ্য অধিদপ্তরের সন্মেলন কক্ষে কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন।
খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসীম উদ্দিন খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা ও খাদ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্য বাস্তবায়নে সবার আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন। প্রত্যেককে নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা ছাড়া কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দুই একজনের অনিয়মের কারণে পুরো প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের অনেক কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি।
দেশের বিভিন্ন স্থানে খাদ্য গুদাম ও অবকাঠামোর দুরাবস্থার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন।
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া খাদ্য গুদামের জরাজীর্ণ অবস্থার কথা উল্লেখ করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, গুদামটির অবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
খাদ্য পরিদর্শক, ওসি-এলএসডিসহ মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কাজের মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দিয়ে খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতে তাদের কাজের মান, গুদামে খাদ্য মজুদের পরিমাণ ও গুণগত মান এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষের সন্তুষ্টির বিষয়গুলো বিবেচনায় নিয়ে নিয়মিত মূল্যায়নের উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।
তিনি আরও বলেন, কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সঠিকভাবে তদন্ত ও তথ্য-উপাত্ত যাচাই করতে হবে।
সভায় খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা খাদ্য অধিদপ্তরের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।