শিরোনাম

ঢাকা, ২৪ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস): দেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যকে পর্যটন উন্নয়নের সঙ্গে সমন্বয় করে সাংস্কৃতিক পর্যটন প্রসারে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
আজ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী মিল্লাত বলেন, সমঝোতা স্মারক সইয়ের পর দুই মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি অভিন্ন ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি)’ প্রণয়নের কাজ শুরু করবে। পাশাপাশি দেশে সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে কাজ করতে ‘জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম’ গঠন করা হবে।
তিনি বলেন, ‘পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পৃক্ত।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২ থেকে ৩ শতাংশ। এ অবদান ৭ থেকে ৮ শতাংশে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে।
সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম দেশের বিমানবন্দরে আগত আন্তর্জাতিক যাত্রীদের কাছে ‘নজরুল বর্ষ’ তুলে ধরার প্রস্তাব দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে পর্যটনমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে বিমানবন্দরগুলোতে প্রয়োজনীয় প্রচারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। সরকার এ ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি তা বিশ্বব্যাপী তুলে ধরতে চায়।
তিনি বলেন, ‘পর্যটনকে গুরুত্ব দিয়ে আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো উন্নয়ন করা হবে।’
মন্ত্রী জানান, দেশে ৫৫৪টি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা রয়েছে। এসব স্থাপনার উন্নয়ন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের টাস্কফোর্স পর্যায়ক্রমে সেগুলো পরিদর্শন করবে।
সভায় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।