বাসস
  ২৩ জুলাই ২০২৬, ২০:২৫

পাবনায় স্ত্রী ও বাবাসহ সহকারী খাদ্য পরিদর্শকের ১০ বছর কারাদণ্ড

সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম। ছবি : বাসস

পাবনা, ২৩ জুলাই, ২০২৬ (বাসস): দুর্নীতি ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের দায়ে স্ত্রী ও বাবাসহ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক মনিরুল ইসলামকে পৃথক দুটি মামলায় পাঁচ বছর করে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একইসঙ্গে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন, সমন্বিত পাবনা কার্যালয়ের পৃথক মামলায় বিচারকার্য শেষে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পাবনার স্পেশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু সালেহ মো. সালাহউদ্দিন খাঁ এই রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত জেলা কার্যালয়, পাবনার উপ-পরিচালক শহীদুল আলম সরকার।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চরদমদমা এলাকার বাসিন্দা ও কামারখন্দ খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম, তার বাবা শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক এবং স্ত্রী ডলি বেগম। রায় ঘোষণার পর তারা পলাতক রয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ছেলে মনিরুল ইসলামের অবৈধভাবে অর্জিত ৫৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক বাড়ি নির্মাণ করেন এবং স্ত্রী ডলি বেগম ৬০ লাখ টাকা ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করেন। এ বিষয়ে অনুসন্ধান ও তদন্ত শেষে ২০২৩ সালে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে দুদক পাবনা সমন্বিত কার্যালয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে মনিরুল ইসলামকে ৫ বছর করে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা ও ৬০ লাখ ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

এছাড়াও বাবা সহিদুল ইসলাম প্রামাণিক এবং স্ত্রী ডলি বেগমকে প্রত্যেককে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন।

একইসঙ্গে আসামিদের নামীয় মামলার সংশ্লিষ্ট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের আদেশ দেন আদালত।